1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া ৫ মার্চের মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন প্রদান প্রধানমন্ত্রী ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আশা প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে প্রসিকিউটরদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের প্রভাব নেই মিম মানতাশার ঢালিউডে নতুন প্রস্তাব, শাকিব খানের বিপরীতে সম্ভাব্য চলচ্চিত্র শিল্প ও শিক্ষা চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্যতার পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল কিউবায় পুনরায় বিক্রির অনুমতি দিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবের প্রথম বিদেশ সফরে জেদ্দায় ইরান প্রত্যাখ্যান করলো ট্রাম্পের পারমাণবিক ও মানবাধিকার দাবি দুর্নীতি মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের গ্রেপ্তারের জন্য রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় সরকারি বাসভবনে উঠবেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

নতুনভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে সরকারি বাসভবন হিসেবে বেছে নিয়েছেন। গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের প্রধান নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার কারণে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনা ভবন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বুধবার নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য বাসা বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে যমুনায় থাকছেন সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি যমুনা ছেড়ে দেবেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মাসের শেষের মধ্যে বাসা ছাড়বেন। এরপর কিছু সংস্কারকাজের পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় উঠবেন।”

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতা ও অন্যান্য প্রভাবশালী কারণে এই দুটি এলাকা বাদ পড়েছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজস্ব বাসায় থাকছেন এবং সেখান থেকে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী চলতি রমজান এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরে অতিথিদের সঙ্গে ইফতার ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য যমুনা ভবন ব্যবহার করবেন। ৩০ হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনার আয়তন প্রায় সোয়া তিন একর। পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়িতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা চলে গেলে এই দুটি বাংলোবাড়ি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বরাদ্দ থাকবে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গণভবনে বিক্ষুব্ধ জনতার ঢুকে ভাঙচুর এবং গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলার কারণে প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ নেই।

নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে কয়েক মাস ধরে আলোচনা চলছিল। গত বছরের ৭ জুলাই গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে ২০ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা এবং হেয়ার রোডের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়িকে সমন্বিত পরিকল্পনায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জন্য উপযুক্ত উল্লেখ করা হয়।

ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকায় ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত স্থানগুলোতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর মন্ত্রিপাড়ায় অবস্থিত বাংলোবাড়ি ছাড়তে শুরু করেন সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানায়, নতুন মন্ত্রিসভার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা ঈদুল ফিতরের পর সরকারি বাসায় উঠতে পারবেন। কিছু বাসায় সংস্কারকাজ বাকি রয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি মন্ত্রীদের হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, বেইলি রোড ও ধানমন্ডি এলাকায় সরকারি বাংলোবাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বরাদ্দের মধ্যে স্থান পেয়েছে—স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (৩৫ হেয়ার রোড), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (২৪ বেইলি রোড), মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (৫ হেয়ার রোড), ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ (৭ মিন্টো রোড), ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু (২ মিন্টো রোড) এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আইন ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য যথাযথ বাসা বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোডে ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এ ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অ্যাপার্টমেন্টে তিনটি দশতলা ভবন রয়েছে, প্রতিটি ভবনে ১০ থেকে ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026