1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া ৫ মার্চের মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন প্রদান প্রধানমন্ত্রী ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আশা প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে প্রসিকিউটরদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের প্রভাব নেই মিম মানতাশার ঢালিউডে নতুন প্রস্তাব, শাকিব খানের বিপরীতে সম্ভাব্য চলচ্চিত্র শিল্প ও শিক্ষা চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্যতার পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল কিউবায় পুনরায় বিক্রির অনুমতি দিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবের প্রথম বিদেশ সফরে জেদ্দায় ইরান প্রত্যাখ্যান করলো ট্রাম্পের পারমাণবিক ও মানবাধিকার দাবি দুর্নীতি মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের গ্রেপ্তারের জন্য রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আশা প্রকাশ করেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রসঙ্গে আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বজগতে আলো ছড়াবে এবং জ্ঞান, বিজ্ঞান ও শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরও সমৃদ্ধ ও বিকশিত হবে। অনুষ্ঠানটি সকাল ১১টায় শুরু হয় এবং গুণীজনদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি পদক নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণে আনার একটি মাধ্যম। পদকের মাধ্যমে সেইসব শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী ও গবেষককে সম্মানিত করা হয় যারা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত কার্যক্রমের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং জনগণের সঙ্গে তাদের অবদানকে পরিচিত করেছেন।

এ অনুষ্ঠানে একুশে পদক প্রাপ্ত গুণীজনরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ভাষা ও সাহিত্য চর্চা সমাজের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি এ ধরনের সম্মাননা দেশের প্রতিভাবান নাগরিকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৃজনশীল ও শিক্ষাজগতে অবদান রাখার জন্য উদ্দীপ্ত করে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একুশে পদক কেবল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্মান নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রযাত্রার এক চিহ্ন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই পদকের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতির প্রচার-প্রসার, গবেষণা ও সৃজনশীলতার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।

পদক প্রদান অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নির্বাচিত গুণীজনদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ উদ্যোগে সফলতা কামনা করেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে একুশে পদক দীর্ঘদিন ধরে ভাষা, সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর এ পদক দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নির্বাচিত গুণীজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026