1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

মানবতাবিরোধী মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম খালাস পেলেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের বাসিন্দা খান আকরাম হোসেনকে আপিল বিভাগ খালাস দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ।

২০১৫ সালের ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলায় বাগেরহাটের অন্য আসামি শেখ সিরাজুল হক ওরফে সিরাজ মাস্টারকে মৃত্যুদণ্ড ও খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন। মামলায় আসামি তিনজনের মধ্যে সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি প্রমাণিত হয়। প্রমাণিত অভিযোগের জন্য ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আকরামের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। মামলার তৃতীয় আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার বিচারাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

প্রাথমিক রায়ের বিরুদ্ধে খান আকরাম হোসেন আপিল করেন। আপিলের শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ জানান, প্রধান আসামি সিরাজুল হকের আপিলের বিচার চলাকালীন তিনি মারা গেছেন। আপিল বিভাগ খান আকরামের আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দেয়।

মামলাটিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠামো অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত ও প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তে দেখা গেছে, প্রমাণিত অভিযোগের মাত্রা ও স্বরূপ বিচারিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। আপিল বিভাগের খালাসের ফলে খান আকরাম আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে মুক্তি পেয়েছেন, যা দেশের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত বিচার প্রক্রিয়ার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

আদালতের এই রায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে যুদ্ধাপরাধের মামলার সুনির্দিষ্ট বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামির বিষয়ে আইনি জটিলতা ও আপিল ব্যবস্থার প্রয়োগ আদালতের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026