1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম খালাস পেলেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের বাসিন্দা খান আকরাম হোসেনকে আপিল বিভাগ খালাস দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ।

২০১৫ সালের ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলায় বাগেরহাটের অন্য আসামি শেখ সিরাজুল হক ওরফে সিরাজ মাস্টারকে মৃত্যুদণ্ড ও খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন। মামলায় আসামি তিনজনের মধ্যে সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি প্রমাণিত হয়। প্রমাণিত অভিযোগের জন্য ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আকরামের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। মামলার তৃতীয় আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার বিচারাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

প্রাথমিক রায়ের বিরুদ্ধে খান আকরাম হোসেন আপিল করেন। আপিলের শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ জানান, প্রধান আসামি সিরাজুল হকের আপিলের বিচার চলাকালীন তিনি মারা গেছেন। আপিল বিভাগ খান আকরামের আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দেয়।

মামলাটিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠামো অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত ও প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তে দেখা গেছে, প্রমাণিত অভিযোগের মাত্রা ও স্বরূপ বিচারিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। আপিল বিভাগের খালাসের ফলে খান আকরাম আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে মুক্তি পেয়েছেন, যা দেশের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত বিচার প্রক্রিয়ার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

আদালতের এই রায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে যুদ্ধাপরাধের মামলার সুনির্দিষ্ট বিচার প্রক্রিয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামির বিষয়ে আইনি জটিলতা ও আপিল ব্যবস্থার প্রয়োগ আদালতের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026