1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫১১, মামলা ৪৯টি জুলাইয়ে ৪৪১ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮, শীর্ষে মোটরসাইকেল ভানুয়াতুতে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি হয়নি সুনামি সতর্কতা সিদ্ধিরগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

চব্বিশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৫ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

চব্বিশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে দেশব্যাপী ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করার মাধ্যমে হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই বিশেষ মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ১০ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন। আসামিদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে থাকলেও বাকি ৭ জন এখনও পলাতক।

সাক্ষ্যগ্রহণের পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালে একই দিনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানিও অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যাবের টিএফআই সেলে টানা ৮ বছর গুম এবং অমানবিক নির্যাতনের শিকার সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান বিন কাশেমকে আজ আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করবেন। এর আগে তিনি তার ওপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা ট্রাইব্যুনালে প্রদান করেছিলেন।

চব্বিশ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র ও জনতার আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন সরকার কয়েক দফায় সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ইন্টারনেট শাটডাউনের মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহ সীমিত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এই ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সর্বাধিক নজরদারি সৃষ্টি হয়েছে।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, আগামী দিনে আরও বিস্তারিত সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে, যা বিচারাধীন অপরাধগুলোর সত্যতা যাচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রক্রিয়া দেশের আইন শৃঙ্খলা এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026