বাংলাদেশ ডেস্ক
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণকালে তারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছ থেকে কর্তব্যভার গ্রহণ করেন।
সরকার সম্প্রতি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য চারটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ প্রদান করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানে প্রশাসকরা তাদের প্রশাসনিক কাজকর্ম, নগর উন্নয়ন, এবং সেবা প্রদানের কার্যক্রমে মনোযোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ নবনিযুক্ত ছয়টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। এ বৈঠকে শহরের সুষ্ঠু প্রশাসন, নাগরিক সেবা, এবং নগর ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন প্রশাসকদের নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য হলো সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রমকে দক্ষ, স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূভাবে পরিচালনা করা। বিশেষভাবে নগর পরিকল্পনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য নাগরিক সেবা ক্ষেত্রে প্রশাসকরা সুসংহত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ করবেন।
সিটি করপোরেশনগুলোর প্রশাসকরা সাধারণ নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের দায়িত্ব পালনকালে নগর উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকি, নাগরিক অভিযোগের সমাধান এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে মনোযোগী হওয়া প্রত্যাশিত।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা এই দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে শহরের প্রশাসনিক এবং সেবা কাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া, নগর পরিকল্পনা ও সেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এর আগে সরকারি আদেশক্রমে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এবং বাকি চারটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগকে শহরের সুষ্ঠু প্রশাসন নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
প্রশাসকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং শহরের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে গতি আসবে। পাশাপাশি, স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় নগর ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।