1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ফ্যামিলি কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, অর্থ দাবি করলে আইনগত ব্যবস্থা: সমাজকল্যাণমন্ত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর লাগেজে মদের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি, আইনি পদক্ষেপের সংকল্প বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সামান্থা রুথ প্রভু খুঁজে পেলেন জীবনের নতুন ভালোবাসা ও আত্মবিশ্বাস সিটি করপোরেশনগুলোতে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ, জনগণকে আরও কার্যকর সেবা প্রদানের লক্ষ্য নগদ-এ বিনিয়োগ নির্ভর করবে নতুন সরকারের নীতি নির্ধারণের উপর সিটি করপোরেশনগুলোর নতুন প্রশাসকরা দায়িত্বগ্রহণ করলেন সিটি করপোরেশনগুলোর নতুন প্রশাসকরা দায়িত্বগ্রহণ করলেন বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও আইন শৃঙ্খলার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ড. আবদুল মঈন খান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন

ফ্যামিলি কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, অর্থ দাবি করলে আইনগত ব্যবস্থা: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

 

রাজধানী ডেস্ক

সরকার ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় কার্ড প্রাপ্তির জন্য কোনো ধরনের অর্থ নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, কার্ড করার নামে কোনো ব্যক্তি বা চক্র অর্থ দাবি করলে তা প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে হবে। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর কড়াইল বস্তি এবং ময়মনসিংহে একটি চক্র ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে বলে সরকার খবর পেয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। কোনো পর্যায়েই কারও কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।” কেউ অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে তিনি আহ্বান জানান।

ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সেল) কার্ড ব্যবস্থা, যেখানে দলীয় বা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা সার্বিক তদারকি করবেন। তিনি বলেন, “এখানে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া বা বাড়তি যুক্ত করার সুযোগ নেই। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সমাজের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্ড দেওয়া হবে। মন্ত্রী জানান, দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ (ভালনারেবল) প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ সবার আগে এ সুবিধা পাবেন। পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরাও পর্যায়ক্রমে এই কার্ডের আওতায় আসবেন।

তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর উপজেলা পর্যায়ে তা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে। সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের কর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মী এবং কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীদের সমন্বয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করা হবে কোন গ্রাম বা এলাকায় কারা সুবিধাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীর কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। উপকারভোগী যে মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতে চান, সে অনুযায়ী অর্থ স্থানান্তর করা হবে। কোনো মাসে কেউ অর্থ না পেলে অনলাইন ও অফলাইন—উভয় পদ্ধতিতে অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকবে। অফলাইনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে অভিযোগ করা যাবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারজন কর্মচারী এ সংক্রান্ত তদারকি করবেন।

তিনি আরও বলেন, সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগী অর্থ উত্তোলন করেছেন কি না, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। ফলে বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যাবে বলে সরকার আশা করছে।

মন্ত্রী জানান, মাঠপর্যায়ে সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা গেলে অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়াও সঠিক ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সহায়তা নিশ্চিত করা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026