1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের ডিএমপির নতুন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বিশ্বকাপে বাবা-ছেলের উত্তরাধিকার: ২৭ জুটির বিরল ইতিহাস ১৬ বছর পর ফের বিশ্বমঞ্চে নিউজিল্যান্ড, ক্রিস উডের নেতৃত্বে শক্তিশালী দল ঘোষণা কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়া ভাট: আন্তর্জাতিক সাফল্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নেতিবাচকতা কার্যক্রম সীমিত করছে এয়ার ইন্ডিয়া: ঢাকা-মুম্বাইসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট স্থগিত ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

মূল্যবান যা কিছু… পৃথিবীতে অসংখ্য দামি ও মূল্যবান জিনিস রয়েছে- বিলাসবহুল ইয়ট থেকে শুরু করে বিরল হীরা পর্যন্ত। এসব জিনিস বিশেষ হয়- কারণ এগুলো তৈরি হয় বিরল উপকরণ দিয়ে, উন্নত প্রযুক্তিতে, অথবা এগুলোর থাকে ঐতিহাসিক গুরুত্ব

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫৭ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বের অনেক দামি জিনিসের কার্যকর বা আয়-উৎপাদনকারী ব্যবহার আছে। কিন্তু কিছু জিনিসের দামি হওয়ার কারণ অনেকের কাছেই অযৌক্তিক মনে হতেই পারে। শিল্পী ড্যামিয়েন হার্স্ট ১৯৯১ সালে তৈরি করেন ‘দ্য ফিজিক্যাল ইমপসিবিলিটি অব ডেথ ইন দ্য মাইন্ড অব সামওয়ান লিভিং’, যা সংক্ষেপে দ্য শার্ক নামে পরিচিত। এটি একটি টাইগার শার্ক, যেটি ফরমালডিহাইডে সংরক্ষিত এবং কাচের বাক্সে রাখা হয়েছে। চার্লস সাচ্চির অর্ডারে এই বিরল শিল্পকর্মটি তৈরি করা হয়।  পরে এটি বিলিয়নিয়ার স্টিভেন কোহেনের কাছে ৮ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করা হয়। তবে ডন থম্পসন-এর লেখা ‘The $12 Million Stuffed Shark: The Curious Economics of Contemporary Art’ বই অনুযায়ী, ২০০৫ সালে এক ব্যক্তিগত নিলামে এটি ১২ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

 

 

অ্যান্টিলিয়া

মূল্য : ২ বিলিয়ন ডলার

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাসভবন হিসেবে অ্যান্টিলিয়ার নাম সবার আগে আসে। এটি কোনো সাধারণ বাড়ি নয়, বরং ২৭ তলার আকাশচুম্বী প্রাসাদ। ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন বাড়িটি আধুনিক স্থাপত্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এর নামকরণ হয়েছে একটি পৌরাণিক দ্বীপ থেকে। বাড়ির বিলাসবহুল সুবিধা যে কাউকে অবাক করবে। বাড়িতে আছে তিনটি হেলিপ্যাড, ৫০ আসনের সিনেমা হল, বিশাল বলরুম, একাধিক সুইমিং পুল, একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নয়টি লিফট এবং একটি ‘স্নো রুম’ যেখানে কৃত্রিম বরফ তৈরি হয়। প্রায় ৬০০ জন কর্মচারী সার্বক্ষণিক এর দায়িত্বে আছেন, যা অনেক হোটেলের চেয়েও বেশি।  অ্যান্টিলিয়া এমনভাবে নকশা করা, যেন এটি ৮ মাত্রার ভূমিকম্পও সহ্য করতে পারে। এর প্রতিটি কোণে রয়েছে প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং স্থাপত্যের শিল্প।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026