1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ভোজ্যতেলের দাম আপাতত অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের যোগাযোগ অবকাঠামো আধুনিকায়নে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা জোরদার নিয়ে আলোচনা চিফ হুইপের বক্তব্য: গণতন্ত্রে পারস্পরিক আস্থা ও সংসদীয় কার্যক্রমে সমন্বয়ের আহ্বান লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার পর ইরানের তেল খাত পুনরুদ্ধারে তৎপরতা, দুই মাসে ৮০ শতাংশ সক্ষমতা ফেরানোর লক্ষ্য এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার তথ্য অধিকার আইন সংশোধনে অংশীজনদের মতামত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব: তথ্যমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষক ঘাটতি মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের নতুন অবস্থান, টোল পরিশোধে রিয়াল ব্যবহারের নির্দেশনা সৌদি প্রো লিগ শিরোপার দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় আল-নাসরের, রোনালদোর গোল

রহস্যময় গোপন স্থান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২১ বার দেখা হয়েছে

পৃথিবীতে এমন অনেক স্থান আছে, যেখানে চাইলেও কখনো যাওয়া যায় না; এমনকি জানা যায় না- কী হচ্ছে সেখানে আর কেনই বা এত গোপনীয়তা! সেসব সাধারণ মানুষের কাছে সব সময় অধরাই থেকে গেছে। এমন কিছু রহস্যময় জায়গা নিয়ে আজকের আয়োজন –

 

ফোর্ট নক্স

লুইভিলের দক্ষিণে ও এলিজাবেথ টাউনের উত্তরে কেন্টাকিতে রয়েছে আমেরিকার সেনাবাহিনীর এ দপ্তর। ১৯১৮ সালে আমেরিকার অস্থায়ী সেনাঘাঁটি হিসেবে কেন্টাকিতে ক্যাম্প নক্স তৈরি করা হয়েছিল। ওই ঘাঁটির নামকরণ করা হয়েছিল আমেরিকার সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল হেনরি নক্সের নামে। পরে ১৯৩২ সালে ক্যাম্প নক্সকে একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করা হয়। বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ সামরিক ঘাঁটি মনে হলেও এর বুকে লুকিয়ে রয়েছে আমেরিকার বহু রহস্য। ধারণা করা হয়, এর মধ্যে রয়েছে দেশটির সোনার ভান্ডার। যদিও সেই বিশাল সোনার ভান্ডারে কত সোনা রয়েছে, তা নিয়ে আমেরিকা কোনো টুঁ শব্দ করেনি। ফোর্ট নক্স যে অনেক কিছু গোপন রেখেছে, তা মনে হতে পারে সেই সামরিক ঘাঁটির আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা দেখে। নক্স দুর্গের পুরো চত্বর স্টিলের বেড়া দিয়ে ঘেরা। পদে পদে রয়েছে বৈদ্যুতিক অ্যালার্ম। প্রতিটি গ্রানাইটের দেয়াল ইস্পাতের পাত দিয়ে মোড়া ও বোমাপ্রতিরোধী। বিশ্বযুদ্ধের আবহে আমেরিকার সোনা রক্ষার জন্য ১৯৩৫ সালে ফোর্ট নক্সের ভিতরে কোষাগারটি তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে বেশির ভাগ দেশের কাছেই ফোর্ট নক্স নিয়ে বিশেষ কোনো তথ্য ছিল না। এর চারপাশে অনেক পাহাড় রয়েছে। সেজন্য জায়গাটি নিরাপদ বলে মনে করেছিলেন তৎকালীন শাসকরা। ১৯৩৭ সালে টন টন সোনা কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ট্রেনে ফোর্ট নক্সে পাঠানো হয়। তবে অনেক কন্সপিরেসি থিওরিস্টের মতে, ফোর্ট নক্সের সোনার বারগুলো আসলে সোনার মতো দেখতে টাংস্টেনের ইট ছিল। টাকার প্রয়োজনে আসল সোনা সরকার গোপনে বিক্রি করে দিয়েছিল। ‘গোল্ড অ্যান্টি-ট্রাস্ট অ্যাকশন কমিটি’ নামে পরিচিত একটি কন্সপিরেসি থিওরি গোষ্ঠীর দাবি, ওই সোনা দিয়েই অনেক বিদেশি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছিল আমেরিকা। ফোর্ট নক্স নিয়ে আরও অনেক রহস্য ও জল্পনা রয়েছে। মনে করা হয়, ফোর্ট নক্সের কোষাগার শুধু সোনা সঞ্চয়ের জন্য তৈরি হয়নি; আরও অনেক মূল্যবান নথি ও জিনিস লুকানো রয়েছে সেখানে। ফোর্ট নক্সের অন্যান্য অমূল্য সম্পত্তির মধ্যে এক সময় ছিল আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণার নথি, অধিকারের বিল ও সংবিধানের মূল খসড়া। পার্ল হারবারে জাপানি বায়ুসেনার হামলার দুই সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনে হামলা চালানো হতে পারে ভেবে সেই নথিগুলো ফোর্ট নক্সের কোষাগারে স্থানান্তরিত করা হয়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026