1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খুলনায় মসজিদে মুসল্লিদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়নি, চিকিৎসাধীন ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে আরও ২৭ জনের মৃত্যু, মোট নিহতের সংখ্যা পৌনে চার হাজার পার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শামার জোসেফের রেকর্ড গড়া বোলিং, স্পর্শ করলেন রাশিদ খানকে ১১ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি পর্যায়ের অনুদানে আয়কর রেয়াত সুবিধা ঘোষণা ২৭ জুলাই ফের চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট পেঁয়াজ ও পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ, জুলাইয়ের শেষে মিলবে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা রেকর্ড স্বাস্থ্য বাজেটের সুফল পেতে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রিকেটের ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ব্যবহার

রহস্যময় গোপন স্থান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৭৯ বার দেখা হয়েছে

পৃথিবীতে এমন অনেক স্থান আছে, যেখানে চাইলেও কখনো যাওয়া যায় না; এমনকি জানা যায় না- কী হচ্ছে সেখানে আর কেনই বা এত গোপনীয়তা! সেসব সাধারণ মানুষের কাছে সব সময় অধরাই থেকে গেছে। এমন কিছু রহস্যময় জায়গা নিয়ে আজকের আয়োজন –

 

ফোর্ট নক্স

লুইভিলের দক্ষিণে ও এলিজাবেথ টাউনের উত্তরে কেন্টাকিতে রয়েছে আমেরিকার সেনাবাহিনীর এ দপ্তর। ১৯১৮ সালে আমেরিকার অস্থায়ী সেনাঘাঁটি হিসেবে কেন্টাকিতে ক্যাম্প নক্স তৈরি করা হয়েছিল। ওই ঘাঁটির নামকরণ করা হয়েছিল আমেরিকার সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল হেনরি নক্সের নামে। পরে ১৯৩২ সালে ক্যাম্প নক্সকে একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করা হয়। বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ সামরিক ঘাঁটি মনে হলেও এর বুকে লুকিয়ে রয়েছে আমেরিকার বহু রহস্য। ধারণা করা হয়, এর মধ্যে রয়েছে দেশটির সোনার ভান্ডার। যদিও সেই বিশাল সোনার ভান্ডারে কত সোনা রয়েছে, তা নিয়ে আমেরিকা কোনো টুঁ শব্দ করেনি। ফোর্ট নক্স যে অনেক কিছু গোপন রেখেছে, তা মনে হতে পারে সেই সামরিক ঘাঁটির আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা দেখে। নক্স দুর্গের পুরো চত্বর স্টিলের বেড়া দিয়ে ঘেরা। পদে পদে রয়েছে বৈদ্যুতিক অ্যালার্ম। প্রতিটি গ্রানাইটের দেয়াল ইস্পাতের পাত দিয়ে মোড়া ও বোমাপ্রতিরোধী। বিশ্বযুদ্ধের আবহে আমেরিকার সোনা রক্ষার জন্য ১৯৩৫ সালে ফোর্ট নক্সের ভিতরে কোষাগারটি তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে বেশির ভাগ দেশের কাছেই ফোর্ট নক্স নিয়ে বিশেষ কোনো তথ্য ছিল না। এর চারপাশে অনেক পাহাড় রয়েছে। সেজন্য জায়গাটি নিরাপদ বলে মনে করেছিলেন তৎকালীন শাসকরা। ১৯৩৭ সালে টন টন সোনা কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ট্রেনে ফোর্ট নক্সে পাঠানো হয়। তবে অনেক কন্সপিরেসি থিওরিস্টের মতে, ফোর্ট নক্সের সোনার বারগুলো আসলে সোনার মতো দেখতে টাংস্টেনের ইট ছিল। টাকার প্রয়োজনে আসল সোনা সরকার গোপনে বিক্রি করে দিয়েছিল। ‘গোল্ড অ্যান্টি-ট্রাস্ট অ্যাকশন কমিটি’ নামে পরিচিত একটি কন্সপিরেসি থিওরি গোষ্ঠীর দাবি, ওই সোনা দিয়েই অনেক বিদেশি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছিল আমেরিকা। ফোর্ট নক্স নিয়ে আরও অনেক রহস্য ও জল্পনা রয়েছে। মনে করা হয়, ফোর্ট নক্সের কোষাগার শুধু সোনা সঞ্চয়ের জন্য তৈরি হয়নি; আরও অনেক মূল্যবান নথি ও জিনিস লুকানো রয়েছে সেখানে। ফোর্ট নক্সের অন্যান্য অমূল্য সম্পত্তির মধ্যে এক সময় ছিল আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণার নথি, অধিকারের বিল ও সংবিধানের মূল খসড়া। পার্ল হারবারে জাপানি বায়ুসেনার হামলার দুই সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনে হামলা চালানো হতে পারে ভেবে সেই নথিগুলো ফোর্ট নক্সের কোষাগারে স্থানান্তরিত করা হয়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026