1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

বিশ্বসেরা মুসলিম জ্ঞানসাধক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নতুন নতুন আবিষ্কার প্রতিনিয়ত পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের অভূতপূর্ব বিকাশ ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে জ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। সময়ের ধারাবাহিকতা ও আবিষ্কারের নেশায় মুসলিম জ্ঞান-সাধকরা পিছিয়ে ছিলেন না।  তারা নিজ মেধা-মননে বিশ্বদরবারে নিজেদের উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। বিশ্বখ্যাত কয়েকজন মুসলিম জ্ঞান-সাধক ও বিজ্ঞানীর কথা লিখেছেন- মুনশি মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ। আজ রইল প্রথম পর্ব।

 

জাবের ইবনে হাইয়ান

পুরো নাম আবু মুসা জাবের ইবনে হাইয়ান। তাঁকে ‘রসায়নের জনক’ বলা হয়। তিনি ছিলেন একাধারে রসায়নবিদ, আলকেমিবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, পদার্থবিজ্ঞানী, ওষুধ বিশারদ ও চিকিৎসক। তাঁর প্রকৃত জাতীয়তা জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা, তিনি ইরানের তুস অঞ্চলের নাগরিক ছিলেন। ৭২১ সালে তাঁর জন্ম। বাবা ছিলেন ওষুধ প্রস্তুতকারক। প্রাথমিক শিক্ষা বাবার কাছেই। এরপর জাফর সাদিকের কাছে আলকেমি ও চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। বাবার মতো বেছে নেন ওষুধ প্রস্তুতের পেশা। ধীরে ধীরে জ্ঞানবিজ্ঞান, গবেষণা ও আবিষ্কারে পা রাখেন। তিনি রসায়নে অমর কীর্তি রেখেছেন। রসায়নশাস্ত্রে সময়োপযোগী অনেক কিছু আবিষ্কার করেন। ইস্পাত তৈরি, লোহার মরীচিকা রোধ, অলংকারের মসৃণ খোদাই, কাপড় রং করার প্রণালি, চামড়ার টাংকি, বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থসংশ্লিষ্ট কার্যকরী বস্তুর আবিষ্কার তাঁর হাতে। তাঁর লেখা বই ‘বুক অব স্টোনস’-এ কৃত্রিম কাঁকড়া, সাপ এমনকি রোবট তৈরির প্রণালির উল্লেখ রয়েছে। তিনি কুফায় একটি বিজ্ঞানাগার প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যু পর্যন্ত সেখানে গবেষণা করেন। তাঁকে পৃথিবীর ‘সর্বপ্রথম রসায়ন বিজ্ঞানী’ বলা হয়। তিনি হাজার দুয়েক বই লিখেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা বইগুলোর মধ্যে রসায়নে ২৬৭টি, যুদ্ধাস্ত্রাদিতে ৩০০টি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে ৫০০টি, দর্শনে ৩০০টি, দার্শনিক ও যুক্তিখণ্ডনবিষয়ক ৫০০টি উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রসায়নবিষয়ক রচনা তাঁকে অমর করে রেখেছে। ১০ বছর গৃহবন্দি থেকে আনুমানিক ৮১৫ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026