1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবি বিএনপির বিজয় দিবসে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্য: জুনে শুরু হচ্ছে ঋণের কিস্তি বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ দিতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, দুই মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা ঈদুল আজহায় সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

সম্পদে টইটম্বুর কালামের ভান্ডার মেয়র থেকে এমপি হয়ে সাত মাসেই গড়েছেন অনেক সম্পদ, নামে বেনামে হাজার কোটি টাকার মালিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২১৩ বার দেখা হয়েছে

রাজশাহীর তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র থেকে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি ছিলেন মাত্র সাত মাস। আর তাতেই ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন আবুল কালাম আজাদ! এমনই অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে। অনেকেই বলছেন, তার সম্পদ বেড়েছে রকেটের গতিতে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র থাকাকালীনই আবুল কালাম আজাদ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম ও দুর্নীতি-অনিয়মের মাধ্যমে সম্পদ গড়া শুরু করেন। পরে গত সংসদ নির্বাচনে তিনবারের এমপি এনামুল হককে টেক্কা দিয়ে দলীয় মনোনয়ন বাগিয়ে এমপি হওয়ার পর আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

এমপি হয়ে সাত মাসেই সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে ওই উপজেলায় প্রায় ৫০০ বিঘা জমি ও পুকুর দখল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু নিজে নয়, অবৈধ সম্পদ অর্জনে তাহেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র স্ত্রী শায়লা পারভীনকেও করেছেন সঙ্গী।

অনুসন্ধানে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিশাল ফিরিস্তি পাওয়া গেছে। জানা যায়, বাগমারার তাহেরপুর সুপার মার্কেটের জায়গা দখল করে সেটি বিক্রি করে প্রকৃত জমির মালিককে না দিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেন অন্তত ৫ কোটি টাকা। জায়গাটি ছিল হরিজন (সুইপার) পল্লীর লোকদের আবাসস্থল। তাদের সেখান থেকে অবৈধভাবে উচ্ছেদ করলেও অন্যত্র পুনর্বাসন করা হয়নি। সরকারি খাদ্য গোডাউন ভেঙে সেখানে মার্কেট নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন ছিল। তবে মার্কেটে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নাম করে বহু মানুষের থেকে অন্তত ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। তাহেরপুর পৌর এলাকার হরিতলা মোড়ে সড়ক বিভাগের জায়গা দখলে নিয়ে মার্কেট নির্মাণ করে সেখানে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026