1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করল সরকার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন, আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রান্তিক খামারিদের স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রকল্প সব জেলায় সম্প্রসারণের নির্দেশ টানা দ্বিতীয় শিরোপার খোঁজে বিশ্বমঞ্চে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা জনপ্রিয় ভারতীয় র‍্যাপার বাদশার বিয়ের গুঞ্জনের অবসান, সত্যতা নিশ্চিত করলেন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি হাইকোর্টে শিশু রামিসা হত্যাসহ সব নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচার বিরতিহীনভাবে চলার সিদ্ধান্ত পেনাল্টিহীন ৮ গোল: বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার অনন্য পরিসংখ্যানগত রেকর্ড ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সই বিজয় সরণিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় পাঠাও আরোহী নিহত নতুন বাজেটে করছাড়ের ছড়াছড়ি: একনজরে সম্ভাব্য বড় পরিবর্তনগুলো

দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের কম

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ডলারের সংকট শুরু হয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর। সেই সংকট এখনো কাটেনি। ডলার সংকটে দিন দিন কমছে বাংলাদেশের রিজার্ভ। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের যে হিসাব গত সপ্তাহে প্রকাশ করেছে, ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ তার চেয়ে অনেক কম।

গত ২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার (৪৮ বিলিয়ন)। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে তা কমে হয়েছে ২ হাজার ৫১৬ কোটি ডলার (২৫ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার)। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৯৫২ কোটি ডলার (১৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার)।

গত বুধবার ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই অর্থের পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়। আইএমএফও সঠিকভাবে রিজার্ভের হিসাবায়ন করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে পরামর্শ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এখন ১৬ বিলিয়ন ডলারের কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী একটি গণমাধ্যমকে বলেন, রিজার্ভ এখন যে পর্যায়ে নেমেছে, তা সংকটজনক না হলেও উদ্বেগজনক। ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে সর্বোচ্চ তিন মাসের আমদানি দায় মেটানো যাবে। এটাও ধরে রাখা হয়েছে জোর করে আমদানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। তা না হলে আরও কমে যেত। এখন আর কৃত্রিমভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা করার প্রয়োজন নেই। এই বাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হবে। তাহলে দাম কিছুটা বেড়ে পরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে। তখন রিজার্ভ আবার বাড়বে।

মুস্তফা কে মুজেরী আরও বলেন, এখন খোলাবাজারে ডলারের দাম ১২৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। ফলে কেউ না কেউ এই দামে ডলার কিনছে, এই দামে হুন্ডি করছে। বৈধ পথে পুরো প্রবাসী আয় দেশে আসছে না। যার মাধ্যমে আবার অর্থ পাচার হচ্ছে। আবার অন্য মাধ্যমেও অর্থ পাচার হচ্ছে। পাচারের অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগে সরকার সফল হয়নি, পাচারও ঠেকাতে পারেনি। ফলে অর্থনীতিতে সংকট এখন বহুমুখী। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এই সংকট সহসা কাটার সম্ভাবনা নেই।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২২ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য ও পরিবহন খাতে খরচ বেড়ে যায়। ফলে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের আমদানি খরচ আগের তুলনায় অনেক বাড়ে। তবে সে তুলনায় দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়েনি। এতে আমদানির জন্য ডলারের যে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়, তা চাপ তৈরি করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। কারণ, জরুরি জ্বালানি, খাদ্যপণ্য, রাসায়নিক সারসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির দায় মেটাতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।

তথ্যসুত্র: প্রথম আলো

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026