1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল, দাবি দেশটির সিংহভাগ নাগরিকের ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিতের লক্ষ্যে আজ ইরাকের মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার; ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: শ্রমবাজার ও বাণিজ্য প্রসারে জোর টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা পবিত্র হজ পালন শেষে ৬৩ হাজারের বেশি হাজি দেশে ফিরলেন, মৃত্যু ৫৪ জনের মেসির রেকর্ড ভেঙে ইয়ামালের নতুন ইতিহাস, সৌদি আরবকে উড়িয়ে দিল স্পেন ১১ মাসে এনবিআরের রেকর্ড রাজস্ব আদায়, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ঘাটতি দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা না সরালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বর্জনের হুঁশিয়ারি ইরানের

৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন এলসি নিষ্পত্তি সেপ্টেম্বরে এলসি খোলার পরিমাণ এক মাসে কমেছে ১৬.১ শতাংশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৫৪ বার দেখা হয়েছে

গত ৩৫ মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এলসি খোলার পরিমাণও আগস্টের তুলনায় প্রায় ১৬.১ শতাংশ কমেছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এলসি সেটেলমেন্ট বা আমদানি পেমেন্ট সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৩৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের অক্টোবরের পর থেকে সর্বনিম্ন সেপ্টেম্বরে ব্যাংকগুলো ৪.৬৯ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছে, যা আগস্টে ছিল ৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার। বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেমেন্টের চাপ কমাতে গত এক বছর ধরে ব্যাংকগুলো এলসি খোলা কমিয়েছে।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, ডলারের সংকটের কারণে ক্যাপিটাল মেশিনারি, মধ্যবর্তী পণ্যের জন্য এলসি খোলার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ভবিষ্যতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। ব্যাংকগুলোরও কিছু করার নেই, কারণ তাদের কাছে পর্যাপ্ত ডলার নেই ।

ব্যাংকাররা বলছেন, এখন যে পেমেন্ট করা হচ্ছে, তার একটি বড় অংশ ছয় মাস আগে খোলা ডিফার্ড এলসি পেমেন্ট। সাইট এলসি এখন প্রায় নেই বললেই চলে। এসব এলসি খোলার এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়। ব্যাংকের কাছে এখন আগে খোলা ডিফার্ড এলসির ম্যাচিউরিটি পোর্টফোলিও রয়েছে, যে অনুসারে তারা পেমেন্টের সময় নির্ধারণ করছে।

রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর এলসি খোলার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, তাদের ডলারের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ডলার কম। এর ফলস্বরূপ তারা সহজে এলসি খুলছেন না।

ব্যাংকাররা বলেন, জুলাই ও আগস্টে ব্যাংকগুলোর ডলারের তারল্য ভালো ছিল। সেপ্টেম্বরে তারল্য কিছুটা কমেছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তা ভালো। ব্যাংকগুলো এখন এলসি খোলার ব্যাপারে খুবই সতর্ক। তাদের মতে, আগামী দিনে ডলারের অবস্থা কেমন হবে তা বোঝা যাচ্ছে না।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026