1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরে নির্বাচনের ঘোষণা নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানি: তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ত্রাণমন্ত্রীর ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্র রক্ষা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেশের ১৮ কোটি মানুষের সার্বিক কল্যাণে সরকার কাজ করছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা

কে বাঁচাবে কর্ণফুলী নদী নদীর বুকেই বাস-ট্রাক টার্মিনাল, ড্রাইডক ও মাছের আড়ত, অবৈধ স্থাপনায় চলছে ব্যবসা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৩৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতুর উত্তর পাড়। এখান থেকে চাক্তাই খালের মুখ পর্যন্ত বিশাল অংশ। এ অংশে অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে নানা স্থাপনা। কেউ নিজে তৈরি করে, কেউ ভাড়া নিয়ে, কেউ ছোট টঙের দোকান নির্মাণ করে নদীর বুকের ওপরই হয়েছে বাণিজ্যিক ও বসতি স্থাপনা। নদীর বুকেই তৈরি করা হয়েছে বাস-ট্রাকের স্টেশন, বিশাল মাছের আড়ত ও মসজিদ।

সরেজমিন দেখা যায়, নদী দখল করে নির্মিত হয়েছে বস্তি। এখানে তৈরি করা ছোট ছোট রুমগুলো দেওয়া হয়েছে ভাড়া। রীতিমতো সেখানে চলে টিকা কর্মসূচিও। নদীর তীরেই আছে শত শত ঘর ও দোকান। এখানেই আছে ‘আইনগত নোটিস’ নামে পাঁচ সাইন বোর্ড। তারপরও প্রতিনিয়তই নির্মিত হচ্ছে নতুন নতুন স্থাপনা। অবস্থা দেখে মনে হয়, কর্ণফুলী নদী দেখার কেউ নেই। এটি একটি অভিভাবকহীন নদী। নদীর বুক চিড়েই গড়ে উঠেছে বিশাল আয়তনের মাছের আড়ত। নির্মিত হয়েছে সোনালি যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতি, ভেড়া মার্কেট শ্রমজীবী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড, মৎস্য শ্রমিক লীগ, চট্টগ্রাম ট্রাক-বাস মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নামেও। তবে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো উদ্যোগ নেই। জানা যায়, ২০১৫ সালে আদালতের নির্দেশনা মতে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কর্ণফুলী নদীর দুই তীরের ২ হাজার ১৮৭টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করে। এ ছাড়া, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনও কর্ণফুলী নদীর দুই তীরের ২ হাজার ৪৯২টি অবৈধ স্থাপনার তালিকা তৈরি করে। তবে তা এখনো প্রকাশ করেনি। নদী রক্ষা কমিশনের তালিকায় মহানগর অংশে আছে ৪৯৮টি। এর মধ্যে আছে ডকইয়ার্ড, বস্তিবাড়ি, দোকান, জেটি, বন্দর, বহুতল ভবন, তেল পরিশোধন কেন্দ্র, তেল ডিপো, সিমেন্ট কারখানা, কোল্ড স্টোরেজ।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026