1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সময়ক্ষেপণ রোধে ফুটবলের নতুন নিয়মের মুখে নেইমার: কোচের ব্যর্থতায় মাঠ ছাড়তে হলো অধিনায়ককে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্ট: প্রথম দিনের সব টিকিট বিক্রি, আগ্রহের কেন্দ্রে ম্যাকেই বেগমগঞ্জে বিয়ের ভিডিও করতে যাওয়ার পথে গুলিবর্ষণ, ক্যামেরাম্যানসহ আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সরবরাহ ঝুঁকির শঙ্কায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম বার্সেলোনায় ফিরলেন সার্জিও বুসকেটস, দায়িত্ব নিলেন রিজার্ভ দলের সহকারী কোচের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ, ভোট ২০ আগস্ট নারীদের নিরাপদ যাতায়াতে রাজধানীতে চালু হচ্ছে বিআরটিসির বিশেষ ‘পিংক বাস’ সার্ভিস আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর

সাক্ষাৎকার সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে হাঙ্গার প্রজেক্ট

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৪৯ বার দেখা হয়েছে

ড. বদিউল আলম মজুমদার, কান্ট্রি ডিরেক্টের, হাঙ্গার প্রজেক্ট। ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাব্রতী সংগঠনটির বিস্তৃতি বিশ্বের অনেকগুলো দেশে। বাংলাদেশে এ সংগঠনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। বদিউল আলম মজুমদার হাঙ্গার প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হন ১৯৯৩ সালে। তাঁর নেতৃত্বে হাঙ্গার প্রজেক্ট দেশকে ক্ষুধা–দারিদ্র্যমুক্ত করতে ও মানুষের আর্থ–সামাজিক পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটির কার্যক্রম, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে কথা বলে প্রথম আলো। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন রাফসান গালিব

বদিউল আলম মজুমদারছবি: শুভ্র কান্তি দাশ

হাঙ্গার প্রজেক্ট নিয়ে আপনি ৩০ বছর কাটিয়ে দিলেন। কখন এবং কী উদ্দেশ্যে দেশে সংস্থাটি যাত্রা শুরু হয়?

বদিউল আলম মজুমদার: বাংলাদেশে হাঙ্গার প্রজেক্টের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। আমি ১৯৯৩ সালের মে মাসে হাঙ্গার প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হই। ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থান পরিবর্তনের জন্য তো সরকার ও অনেক বেসরকারি সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে, আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন অনেককেই জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন জিনিসটার অভাব আছে? যেটি পূরণ হচ্ছে না এবং যার কারণে ক্ষুধা-দারিদ্র্যের সমস্যাগুলো এখনো আমাদের দেশে প্রকট।

সরকারের নীতিনির্ধারক, অনেক বড় বড় মানুষ, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যেমন ড. ফজলে হাসান আবেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অনেকের সঙ্গেই আমরা কথা বলেছিলাম। তো তাঁরা বলেছিলেন, তখনকার সময়ে মানে নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, একটা পরনির্ভরশীলতার মানসিকতা আমাদের রয়ে গেছে এখনো। সে সময় আমাদের বাজেটের বড় অংশ আসত বিদেশি সহায়তা থেকে। মুক্তিযুদ্ধে ফলে আমাদের অনেক কিছুই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেসবের সংস্কার এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য সারা বিশ্ব থেকে অনেকে সহায়তা করেছে। সেটি কিন্তু একপর্যায়ে আমাদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতার মানসিকতাও সৃষ্টি করে। রেহমান সোবহানের ভাষায়, তখন বিদেশিদের মানে দাতাদের দেখলেই আমরা হাউমাউ করে কান্না করে দিতাম আর বলতাম—আমরা গরিব, আমাদের সাহায্য করো, নয়তো আমাদের ভবিষ্যৎ নেই।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026