1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইয়ামাল ঝড়ে স্পেনের দাপট, গর্ডন-কেইনের গোলে স্বস্তি ইংল্যান্ডের ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে টিসি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমছে, আবারও দাম বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো ভূরাজনীতি বনাম পূর্বপ্রস্তুতি: বিমানের বিশাল বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা ঘিরে সংশয় বিশ্ব হার্ট দিবসে রোটারি রিপসা টিমের সচেতনতামূলক র‌্যালি ইতিহাসে প্রথমবার নারী সরকারপ্রধান পেল মরক্কো ভিনিসিউসদের দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় খুশি ব্রাজিল কোচ জার্মানির ডার্মস্টাটে বাংলাদেশিদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পর্যটন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহবান ইয়ামালের ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট, স্পেনের আরেকটি জয়

নাটোরে কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৫৮ বার দেখা হয়েছে

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের সিংড়ায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন।

দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

বুধবার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নাটোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. ছাব্বির আহম্মেদ, মো. রেজাউনুল রাব্বি, মো. নাজমুল হক, মো. রাজিবুল হাসান, মো. রিপন ও মো. শহিদুল।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. মনিরুল ইসলাম, মো. খায়রুল ইসলাম, মো. আতাউল ইসলাম আতাউর এবং মো. রেজাউল করিম।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে ১৯ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ভিকটিম জরুরি কাজে কলেজের জন্য বের হয়। এসময় পথে পরিচিত আসামি সাব্বির আহমেদের সঙ্গে ওই কলেজ ছাত্রীর দেখা হয়। পরে ভিকটিমকে ফুসলিয়ে বেড়ানোর কথা বলে নাটোরের সিংড়া উপজেলার প্রেট্রো বাংলা এলাকায় নিয়ে আসে। সেখানে আসামি নাজমুল, রাজিবুল, রিপন ও শহিদুল ওই কলেজ ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে ভ্যানযোগে কলম মির্জাপুর গ্রামে নিয়ে যায়। পরে রাত হলে ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার কথা বললে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায় আসামিরা।

সূত্রে আরও জানা যায়, পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসামি মো. মনিরুল ইসলাম, মো. খায়রুল ইসলাম, মো. আতাউল ইসলাম এবং মো. রেজাউল করিমসহ আরও ২/৩ জন মিলে কলম মির্জাপুর এলাকার ঈদগাঁ মাঠে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় স্থানীয় লোকজন বুঝতে পেরে ওই ছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার এবং আসামিদের আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ২০ অক্টোবর সকালে ওই কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সিংড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুর রহিম ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে খালাস দেন।

আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (এসপিপি) অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সিংড়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। প্রায় ১০ বছর তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত বুধবার দুপুরে এ রায় দেন। এ ছাড়া নাসির হোসেন নামে অপর আসামির এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকায় খালাস দেন আদালত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026