1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

আইনমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮
  • ১৬৬ বার দেখা হয়েছে

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের অবস্থান আগের চেয়ে খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করেন না জাতিসংঘ মহাসচিবের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা আদামা দিয়েং।
আজ সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর সাথে আদামা দিয়েং-এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনার সারসংক্ষেপ পরে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আইনমন্ত্রী বলেন, মহাসচিবের বিশেষ গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নিদর্শন দেখিয়েছেন তা অনুকরণীয় এবং প্রশংসনীয়। তাই বিশ্ব এখন এ সমস্যার বিষয়ে চোখ বন্ধ করে রাখতে পারবে না। জাতিসংঘ চেষ্টা করবে সব দেশ মিলে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে সমস্যার সমাধান করার। আর চাপ সৃষ্টি করার জন্য জাতিসংঘ যা কিছু করা দরকার সবই করবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান আমি তাকে বলেছি। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিস্কারভাবে তুলে ধরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় আমাদের ওপর যেসব অত্যাচার ও গণহত্যা করা হয়েছে, সেসব বিষয় তুলে ধরেছি।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে এবং তারপর খুনিদের বাঁচাতে যে ‘ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স’ জারি করা হয়েছিল, তা তুলে ধরেছি। আমি মহাসচিবের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টাকে বলেছি, আমরা মনে করি আইনের শাসন এবং বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য মানবতার বিরুদ্ধে যারা অপরাধ করে তাদের বিচার হওয়া উচিত। বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে তাদের সাজা হওয়া উচিত। ২৫ মার্চের গণহত্যার বিষয়েও তাকে অবহিত করা হয়েছে।
বৈঠকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026