1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবি বিএনপির বিজয় দিবসে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্য: জুনে শুরু হচ্ছে ঋণের কিস্তি বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ দিতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, দুই মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা ঈদুল আজহায় সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

ফেসবুকে প্রলুব্ধ করে কিডনি, লিভার পাচার করে চক্রটি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অসহায় লোকজনকে প্রলুব্ধ করে মানবদেহের কিডনি, লিভারসহ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচারের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‍্যাব। র‍্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের সদস্য। মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে চক্রটি কিডনি ও লিভার পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচার করে আসছে। চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কিডনিদাতাদের রাজি করায় চক্রটি।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মোহাম্মদ আলী ডালিম, আতিকুর রহমান ও আলম হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নগরের খুলশী এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শুক্রবার বিকেলে নগরের পতেঙ্গায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে আন্তর্জাতিক একটি চক্র মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে কিডনি ও লিভার পাচার করে আসছে। জেলার সাতকানিয়ার সাইফুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগীর সন্ধান পায় র‍্যাব। তিনি র‍্যাবকে জানান, সাড়ে চার লাখ টাকায় তাঁকে কিডনি বিক্রিতে উদ্বুদ্ধ করে চক্রটি। এরপর তাঁকে নগরের নগরের খুলশী এলাকায় নিয়ে তাঁর পাসপোর্টে ভারতের ভিসা লাগাতে সহযোগিতা করে। পরে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ আলী ডালিমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই র‍্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ভারতে অবস্থান করে মো. শাহীন নামের চক্রের আরেক সদস্য। তাঁরা দাতাদের চার থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা করে দেন। অথচ চক্রটি রোগীদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়ে থাকে।

র‍্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই চক্রটি এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার জন্য ভারতে পাচার করেছে। এ ঘটনায় নগরের খুলশী থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026