1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

করোনার ফি’র আড়াই কোটি টাকা লোপাট

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩১৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা রোগীদের পরীক্ষায় ইউজার ফির ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান এ মামলা করেন। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রকাশ কুমার দাস খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার ইউজার ফি নেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ৪ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে তিনি ১ কোটি ৬৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন আর বাকি ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৭ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
দুদক জানায়, এর আগে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি সন্দেহ হলে হাসপাতালের সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক ডা. নিয়াজ মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেখানেও অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে খুলনা সিভিল সার্জন অফিস থেকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। ওই জিডির কপিসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026