1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ২৭ অক্টোবর

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৪৫ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর বনানী ২৭ নম্বর রোডে দ্যা রেইন ট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে আগামী ২৭ অক্টোবর নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। এজন্য পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার অসুস্থ থাকায় ও মামলার রায় প্রস্তুত না থাকায় রায় ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আল মামুন রায় ঘোষণার জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

এরআগে গত ৩ অক্টোবর মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের সকল যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে রায় ঘোষণার জন্য ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

যুক্তি উপস্থাপনে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে আসামিপক্ষ তাদের নির্দোষ দাবি করে।

সাফাত বাদে এ ধর্ষণ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম, সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। সাফাতসহ প্রথম দুইজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে একই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলাটির অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী (শিক্ষার্থী), তার বান্ধবী এবং এক বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে দুই শিক্ষার্থীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। এরপর মামলার বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মামলা হলে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে সেবছর ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইসমত আরা এমি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এর পরের মাসে ১৩ জুলাই ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শফিউল আজম পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। এ মামলায় মোট ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026