1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনে বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ গ্রেফতার ৪৪০ চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা: খলনায়ক ডনের সাত দিনের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য বিএনপি’র নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব জোরদারে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে

শেষ মুহূর্তে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১
  • ৩১৭ বার দেখা হয়েছে
শেষ মুহূর্তে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু
????????????????????????????????????

রাত পোহালেই ঈদ। তাই কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে হতাশার সুর ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষেরই। রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে তুলনামূলকভাবে একটু কমে গেছে গরু ও খাসির দাম। হাটে ছোট আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৫০ হাজার টাকায়। মাঝারি আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১ লাখে। আর একটু বড় আকারের গরুর দাম পড়ছে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখের মধ্যে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরীর কোরবানির পশুর বিভিন্ন হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিকে বৃষ্টিতে হাট এলাকা কাদামাটি আর পশুর মলমূত্রে একাকার হয়ে গেছে। হাটে বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতাদের তেমন দেখা নেই।

শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই হতাশা বিরাজ করছে। একদিকে বিক্রেতারা বলছেন- তারা শেষ সময়ে বিক্রির আশায় কম দামে পশু ছেড়ে দিচ্ছেন। আর বিক্রেতাদের বক্তব্য- শেষ সময়ে কিনতেই হবে এমন ভেবে বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন।

তবে বিপদে পড়েছেন রাজধানীর বিক্রেতারা। কারণ একদিকে তাদেরকে বিক্রি করতেই হবে, না হলে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আবার ভাড়ার খরচ দিতে হবে। এছাড়া পশুগুলো ফেরত নিয়ে গেলে পরবর্তী ঈদ ছাড়া এসব পশুর উপযুক্ত ক্রেতাও পাওয়া যাবে না।

পশু বিক্রেতাদের ভাষ্য, প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পাননি। তাতে যা আয় হয়েছে তা দিয়ে গরু লালন-পালনের ব্যয় উঠবে না বলেও আক্ষেপ করেন অনেকে। অনেকেই আবার শঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, যে পরিমাণ ক্রেতা আছে তাতে পশুগুলো বিক্রি হবে বলে মনে হচ্ছে না।

হাট ইজারা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সোমবার সারারাত থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় হাটে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। সকালেও বৃষ্টির কারণে প্রত্যাশিত ক্রেতা আসেনি। এই পরিস্থিতিতে হাটে আনা বেশির ভাগ গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে৷ আজ দুপুরের পরে ক্রেতারা হাটে আসতে শুরু করেছেন। এই সময়ে যারা হাটে এসেছেন, তারা তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পারছেন।

তবে কেউ কেউ বলেন, ‘প্রথম দুদিন হাটে এসে মনে হচ্ছিল, এবারও হয়তো পছন্দের গরু কিনতে পারব না। বিক্রেতারা কয়েক গুণ বেশি দাম চাইছিলেন। তবে আজকে যে গরুটা কিনলাম, আগের মতো দাম হাঁকালে কিনতেই পারতাম না।’

বিক্রেতাদের মতে, লোকসান হলেও বিক্রি করেছি। কারণ গরু ফেরত নিলে আরও লোকসান হয়। আর কোরবানির পর গরুর আর দামও পাওয়া যায় না।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026