1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার ওসি প্রত্যাহার গণতন্ত্র সুসংহতকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের শত কোটি ডলার আয়, স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ অস্বীকার হোয়াইট হাউজের ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার মেক্সিকোকে নকআউটের টিকিট এনে দিল কিনিয়োনেস ও জিমেনেজ ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের বিল পাসের উদ্যোগ, লেবাননে অবস্থান জোরদারের ঘোষণা নেতানিয়াহুর নকআউটের দীর্ঘদিনের খরা কাটাল ব্রাজিল জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের নির্দেশ

বেগম সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০১৭
  • ২০৮ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত বেগম সুফিয়া কামালের ১০৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এই মহীয়সী নারী ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকয়ো হল’ নামকরণের দাবী জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।
বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নিমর্মভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিবৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।
সাহিত্যে তাঁর সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।
আমি বেগম সুফিয়া কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026