1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার ওসি প্রত্যাহার গণতন্ত্র সুসংহতকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের শত কোটি ডলার আয়, স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ অস্বীকার হোয়াইট হাউজের ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার মেক্সিকোকে নকআউটের টিকিট এনে দিল কিনিয়োনেস ও জিমেনেজ ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের বিল পাসের উদ্যোগ, লেবাননে অবস্থান জোরদারের ঘোষণা নেতানিয়াহুর নকআউটের দীর্ঘদিনের খরা কাটাল ব্রাজিল জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের নির্দেশ

কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির বাণী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০১৭
  • ২২৯ বার দেখা হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২০ জুন কবি সুফিয়া কামালের ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের ১০৬ তম জন্মবার্ষিকীতে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের এক অভিজাত পরিবারে। তৎকালে বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। সুললিত ভাষায় ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তাঁর কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দু:খ ও সমাজের সার্বিক চিত্র। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার সাথে সুফিয়া কামালের সাক্ষাৎ ঘটে ১৯১৮ সালে কলকাতায়। বেগম রোকেয়া ছিলেন তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস। কবির প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশিত হয় সওগাত পত্রিকায় ১৯২৬ সালে। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হলে রবীন্দ্রনাথ এ কাব্য পড়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ কাব্যের ভূমিকা লিখেন কাজী নজরুল ইসলাম। সুদীর্ঘকাল ধরে তিনি সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা ও নারী কল্যাণমূলক নানা কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন।
কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে তিনি ছিলেন সর্বদা সচেষ্ট। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।
কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে। কবির জীবন ও আদর্শ এবং তাঁর অমর সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।
আমি এ মহীয়সী নারীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026