সারা দেশে অর্থনৈতিক শুমারি হবে। এ জন্য ৫৭৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গত মঙ্গলবার পাস করা হয়েছে। কিন্তু কিছু খাতে অস্বাভাবিক বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সে জন্য প্রকল্পটি আবার
বাংলাদেশে শহর এলাকায় ডেঙ্গুর মত মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণসহ নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ২০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। বুধবার বিশ্ব ব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে
সরকার যখন আমদানি ব্যয়ের রাশ টেনে ডলার খরচে কৃচ্ছ্রসাধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সুযোগে ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়াচ্ছে। যে কারণে সরকারের কঠোর মনিটরিংয়ের পরও একেক
ইতিহাসে আর্থিক হিসাবের সর্বোচ্চ ঘাটতি নিয়ে একটি অর্থবছর শেষ করেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রার আয় ও ব্যয়ে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য ছিল বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরেই। এ কারণেই বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা
বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। অন্যদিকে, আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ বলেছেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভুল পথে যাচ্ছে। দেশের মানুষের এই মতামত উঠে
তীব্র সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। ব্যাংকে এখন নগদ ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১১৩ টাকায় উঠেছে। একটি বেসরকারি ব্যাংক এখন এ দামে নগদ ডলার বিক্রি করছে। অন্যান্য
গত সপ্তাহ থেকে খোলাবাজারে ডলারের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমানে আন্তঃব্যাংকের সঙ্গে খোলাবাজারে ডলারের দামের ব্যবধান প্রায় আট টাকা। এই বড় ব্যবধানের কারণে হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন প্রবাসীরা। বিশেষ
বাংলাদেশের জন্য সাহায্য ও ঋণ কমে গেছে। বড় ঋণদাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কেবল বিশ্বব্যাংক ও জাপান ছাড়া বাকি প্রায় সবাই ঋণের ছাড় কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
ডলারের বাজারের অস্থিরতা এখনো কাটেনি। অনেক ব্যাংক যথাসময়ে আমদানির এলসি দায় পরিশোধ করতে পারছে না। আবার কোনো কোনো ব্যাংক নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দরে ডলার বেচাকেনা করছে। এতে বাজারে অসম
শিল্প খাতে দক্ষতা বাড়তে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। সহজ শর্তের ঋণ কর্মসূচির আওতায় এ অর্থ দিচ্ছে