নিত্যপণ্যের দাম ছুটছে তো ছুটছেই। এ দৌড়ে পেরে উঠছে না মানুষ। এর মধ্যেই নতুন দুঃসংবাদ নিয়ে হাজির ওষুধ খাত। দেশের শীর্ষ ছয় প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত ২৩৪টি জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম
চীনে করোনা আবারও উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। নতুন ঢেউ মোকাবিলায় টিকাদান বাড়ানোর কথা ভাবছে চীনের প্রশাসন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট জুন মাসে তার শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে
মাস দুয়েক ধরে পেটে ব্যথা অনুভব করছিলেন উত্তরার বাসিন্দা শারমিন বেগম। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হাসপাতালে চিকিৎসককে দেখালে তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম ও রক্তের কিছু পরীক্ষা দেন। শারমিন বেগম বলেন, রিপোর্ট নিয়ে
দেশে ৩ কোটির বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে একজন এ রোগের শিকার। আক্রান্তের ৫৯ শতাংশ জানেনই না তারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। আক্রান্ত জানলেও অনেকেই নিয়মিত
বিশ্বে অসংক্রামক ব্যাধি নীরব ঘাতকের মতো ধেয়ে আসছে এবং আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। অসংক্রামক ব্যাধি এখন মানব জাতির বেঁচে থাকার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে কলেরা, ডায়রিয়া, বসন্ত, যক্ষ্মা,
বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শতাধিক মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে ২৭ হাজারের নিচে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে
বেশিরভাগ পুরুষের ক্ষেত্রেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অভ্যাস লক্ষ করা যায়। পথেঘাটে কিংবা অফিসের বাথরুমে তো বটেই, বাড়িতেও এই অভ্যাস থাকে তাদের। কিন্তু দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার এই অভ্যাস কি আসলে স্বাস্থ্যকর?
শরীরে বিভিন্ন রোগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লিভারে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। অনেকে অল্প বয়সেই লিভার সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন। এর প্রধান কারণ হচ্ছে— অনিয়মিত জীবনযাপন ও খারাপ খাদ্যাভ্যাস।
তীব্র তাপদাহ চলছে সারা দেশে। জীবন রক্ষাকারী ও জরুরি ওষুধের ওপরেও দেখা যাচ্ছে এর মারাত্মক প্রভাব। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণযোগ্য ওষুধও গরমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা ও বিক্রেতারা। ওষুধ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরাও বিষয়টিকে দেখছেন জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হিসেবে। তারা বলছেন, ওষুধ একটি সংবেদনশীল পণ্য। তাপমাত্রার কিছুটা হেরফের হলেই কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। দেশের বাজারে প্রচলিত ওষুধের প্রায় ৯০ শতাংশই ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণযোগ্য। এসব ওষুধ ঠাণ্ডা ও শুকনো স্থানে আলোর আড়ালে রাখতে হয়। গরমের সময় দেশের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও এখন তা ৪০ ডিগ্রিও অতিক্রম করছে। দেশের ওষুধের দোকানগুলোর সিংহভাগেরই নেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা। এ পরিস্থিতিতে ওষুধের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারছে না ফার্মেসিগুলো। একই সঙ্গে অধিকাংশ ফার্মেসির বিক্রেতারা ওষুধ সংরক্ষণের যথাযথ নির্দেশনা
দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থাও জেলা-উপজেলা হাসপাতালের চেয়ে তেমন একটা ভালো নয়। এসব হাসপাতালে বেশির ভাগ চিকিৎসা যন্ত্রপাতি অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো