নিজস্ব প্রতিবেদক গত দুই দিন রাজধানীর বাইরে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে ভোরে ও রাতে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। এর মধ্যে ছয়টি জেলায় শীতের অনুভূতি বেশি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য
বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা দেশের বেশির ভাগ এলাকাজুড়ে শীতের অনুভূতি থাকবে আজ রোববারও। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। অর্থাৎ শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। তবে দিনে রোদ থাকতে
জানুয়ারির প্রথম থেকেই বাড়তে শুরু করেছে শীতের প্রকোপ। মাঘের শীতের মধ্যেই গত দুই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঘনকুয়াশা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শীতের
অনলাইন ডেস্ক দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর মধ্যে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায়
হিমালয়ের নিকটবর্তী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত। হাড়কাপানো এই শীতে পঞ্চগড়ের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কাবু হয়ে পড়েছেন নিম্ন-আয়ের লোকজন। বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা
কাগজে কলমে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হয়েছিল ২০১৮ সালে। সে বছর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াসে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড। ওই বছর সারাদেশে
কনকনে ঠাণ্ডায় কাঁপছে পুরো দেশ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন। এর ফলে খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে বেশি বিপাকে। এক সপ্তাহ যাবত উত্তরাঞ্চল হয়ে মধ্যাঞ্চল, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক শীতের দাপটে কাঁপছে পুরো দেশ। কয়েক দিন ধরে দেখা নেই সূর্যের। ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার জনজীবন। এমন তীব্র শীতের মধ্যেই
বনভূমি ও বনাঞ্চল এই গ্রহের মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম প্রধান উৎস। কেননা, প্রাণিকুলের শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রধান উপাদান অক্সিজেন থেকে মানুষের জৈবিক তথা জীবিকানির্বাহ- পুরোটাই আসে সবুজে ঘেরা বনাঞ্চল থেকে। ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর
বায়ুদূষণে ২১৯ স্কোর নিয়ে রাজধানী ঢাকা ১ নম্বরে অবস্থান করছে। বায়ুদূষণের এই মান অনুযায়ী ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকাল নয়টা আট মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মান