1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
থার্ড টার্মিনাল চালু হলে কেমন সেবা পাবেন যাত্রীরা? বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট’: ডি থ্রি ট্রফির ছয় দল পেল কোচিং স্টাফ ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার যুক্তরাষ্ট্রে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা’ গড়বে ভারতের এসার গ্রুপ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানাতে সিউল যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরের ২৬ ব্লকে বিদেশি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বেড়েছে অপচয় ও ক্ষুধা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা’ গড়বে ভারতের এসার গ্রুপ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়াতে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মাণ করা হবে এই ইস্পাত কারখানা। ২০৩০ সাল নাগাদ কারখানাটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।

মেসাবি মেটালিক্সের নির্বাহী বোর্ডের চেয়ারম্যান, সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলছেন ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৮০০ কোটি (১৮ বিলিয়ন) ডলারের বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের বহুজাতিক কোম্পানি এসার গ্রুপ।

এই মেগা প্রকল্পের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়াতে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মাণ করা হবে একটি সুবিশাল ইস্পাত কারখানা। বাকি অর্থের একটি অংশ মিনেসোটায় লৌহ আকরিক প্রকল্পের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসার গ্রুপের মালিক রুইয়া পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এই প্রকল্পের ঘোষণা দেন।

এসার গ্রুপের মার্কিন সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেসাবি মেটালিক্স কারখানাটি তৈরি ও পরিচালনা করবে।

মিনেসোটা রাজ্যে মেসাবি মেটালিক্সের নিজস্ব খনি থেকে আকরিক লোহা নিয়ে সেটি আইওয়ায় পাঠানো হবে। সেখানে লৌহ আকরিক থেকে তৈরি হবে ইস্পাত।

প্রথম ধাপে প্রতি বছর ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন ইস্পাত উৎপাদন করা হবে। সেই উৎপাদন বছরে ১০ মিলিয়ন টন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন “আমেরিকার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ইস্পাত কারখানা” হবে এটি। সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে যাওয়া রিপাবলিকানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য আইওয়াতে প্রকল্পটিকে বড় অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন তিনি।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “মেসাবি মেটালিক্স চমৎকার রাজ্য আইওয়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা তৈরি করতে যাচ্ছে, আজ এই ঘোষণা দিতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। এটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ কারখানা নয়, সারা বিশ্বের মধ্যেও অন্যতম বৃহত্তম।”

ট্রাম্পের দাবি, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত আমদানির উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর জন্যই দেশে নতুন কারখানা তৈরি হচ্ছে। কেউ শুল্ক দিতে চান না বলেই যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা তৈরি করতে চাইছে।

কারখানাটিতে ২০৩০ সাল নাগাদ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। কারখানাটি চালু হয়ে গেলে হাজারো মানুষের স্থায়ী চাকরি হবে। প্রথম ধাপে নির্মাণের কাজের জন্য ৫-৬ হাজার কাজের সুযোগও তৈরি হবে।

মেসাবি মেটালিক্সের চেয়ারম্যান রেবন্ত রুইয়া ট্রাম্প প্রশাসনের স্থানীয় উৎপাদনমুখী নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য তৈরির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব আবারও ফিরিয়ে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।”

এই বড় বিনিয়োগের খবর প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আইওয়ার গুরুত্ব আবারও স্পষ্ট হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে সেখানে নির্বাচনি প্রচার চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।

ওভাল অফিসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইওয়ার কয়েকজন শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা।

মার্কিন সিনেট নির্বাচনে লড়তে যাওয়া কংগ্রেস সদস্য অ্যাশলি হিনসন এবং প্রতিনিধি পরিষদের পুনঃনির্বাচনে প্রার্থী মারিয়ানেট মিলার-মিকসকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা আইওয়াতে এক বিশাল সমাবেশ করব। আমরা সবাই সেখানে একসঙ্গে অংশ নেব।”

এছাড়া, অনুষ্ঠানে গভর্নর কিম রেনল্ডস এবং সিনেটর জনি আর্নস্টও উপস্থিত ছিলেন।

১৯৬৯ সালে শশী রুইয়া ও রবি রুইয়া নামের দুই ভাই ভারতে এসার গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। জ্বালানি, খনি, প্রযুক্তি থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রয়, নানা খাতে ছড়িয়ে রয়েছে তাদের ব্যবসা।

ভারতে গুজরাটের হাজিরায় দেশটির একক অবস্থানের বৃহত্তম ইস্পাত কেন্দ্র এবং ওয়াদিনারে দ্বিতীয় বৃহত্তম শোধনাগার রয়েছে তাদের।

আন্তর্জাতিক বাজারে তারা যুক্তরাজ্যের শেলের স্ট্যানলো শোধনাগার অধিগ্রহণ করেছিল। এছাড়া, সৌদি আরবে কম কার্বন নির্গমনকারী একটি ইস্পাত কারখানা গড়ার পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

যুক্তরাষ্ট্রে মেসাবি মেটালিক্সের প্রধান কার্যালয় মিনেসোটার ন্যাশওয়াকে অবস্থিত।

২০০৭ সালে 'মিনেসোটা স্টিল' কিনে নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে তাদের প্রায় ১৪০ কোটি টন আকরিক লোহার খনি রয়েছে।

মেসাবি মেটালিক্সের সিইও জো ব্রোকিং এই ঘোষণাকে “আমেরিকান ইস্পাত শিল্পের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত” বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি জানান, তাদের উৎপাদিত পণ্য মার্কিন প্রতিরক্ষা, গাড়িনির্মাণ, জাহাজ তৈরি, গৃহস্থালি সামগ্রী, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডলারের অঙ্ক বাড়ে, শ্রমিকের হিসাব মেলে না

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত

রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026