আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডেই এ জরিপ চলবে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
এইডিস মশার লার্ভা জরিপ শুরু করল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ।
বর্ষাকালীন ১২ দিনের এ জরিপ কার্যক্রম সোমবার নগর ভবনে উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম।
সংস্থার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এইডিস মশার প্রজননস্থল, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং তথ্যনির্ভর মশক নিধন কার্যক্রমের লক্ষ্যে এ জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে।
আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডেই এ জরিপ চলবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করার কথা বলছে ডিএসসিসি।
সংস্থাটি বলছে, জরিপের মাধ্যমে ১০টি অঞ্চলের মধ্যে মশার প্রাদুর্ভাব ও লার্ভার প্রধান উৎসগুলো চিহ্নিত করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রজননস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এই জরিপ ডিএসসিসির বর্তমান পরিস্থিতির একটি নির্ভুল চিত্র দেবে, যার ওপর ভিত্তি করে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নেব।”
নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, “প্রাক-বর্ষা জরিপে দেখা গেছে, বাসাবাড়ি ও আঙিনায় জমে থাকা পানিই এইডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র।
“তাই ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের স্থান জমে থাকা পানি মুক্ত রাখতে নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকরা এগিয়ে এলেই এইডিস মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।”
ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৭২ জন মাঠকর্মী এ জরিপের তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্যের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক ‘কোবো টুলবক্স’ অ্যাপ্লিকেশন।
জরিপ শেষে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্রেটু ইনডেক্স (বিআই), হাউস ইনডেক্স (এইচআই), কনটেইনার ইনডেক্স (সিআই) এবং পিউপা ইনডেক্স (পিআই) নির্ধারণ করা হবে।
ব্রেটু ইনডেক্সের ভিত্তিতে ঝুঁকি নির্ধারণ এলাকাগুলোকে তিনভাগে চিহ্নিত করা হবে বলেও জানিয়েছে ডিএসসিসি।
ঝুঁকিপূর্ণ: ব্রেটু ইনডেক্স ২০ বা তার বেশি
মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: ব্রেটু ইনডেক্সের ১০ থেকে ১৯
সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ: ব্রেটু ইনডেক্সের ১০ এর নিচে
ডিএসসিসি বলছে, জরিপের ফলের ভিত্তিতে চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামসহ মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত
রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: অনুকম্পা নয়, সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখনই
গণতন্ত্রের আম্পায়ার যখন প্রশ্নের মুখে: ভারতে নির্বাচন কমিশন বিতর্ক