1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আইসিসিতে মামলার প্রস্তুতির নির্দেশ নেতানিয়াহুর বিদেশে দেড় বছর আটকা স্বামীর মরদেহ, অপেক্ষা ফুরোয় না মুন্নির সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে লড়াইয়ে বাংলাদেশর একাদশে ৪ বদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ মোবাইলে যেভাবে দেখবেন সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশের খেলা মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রীর মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শোক নেত্রকোনায় প্রথমবারের মতো বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত কম্বোডিয়ান গ্যাংয়ের ‘টিকিট ফাঁদ’, সাবেক কর্মকর্তার ৩৪ লাখ টাকা গায়েব সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে : মাহদী আমিন

প্রাথমিকে এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮১৭ জনের ‘ভেরিফিকেশন’ হচ্ছে: মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

এই প্রক্রিয়া আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে জানিয়ে তিনি বলেছেন, কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা যাচাই শেষে চূড়ান্ত হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত ৮১৭ জন নিয়োগপত্র পাননি এবং তাদের ‘ভেরিফিকেশন’ ও তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলেও শত শত চাকরিপ্রার্থী বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নিয়োগপত্র না পাওয়া অনেকে গত দুদিন ঢাকার শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি অনেক টেলিভিশনের পর্দায় দেখতে পেয়েছি অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কেউ কেউ বাবার কাছে মায়ের কাছে আত্মহত্যার পথও বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু ইট ওয়াজ নট ফাইনাল।

“আমি দেখেছি কিছু কিছু মিডিয়া বিভ্রান্তিকর নিউজ দিয়েছে। দেওয়াতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কেউ খতিয়ে দেখেননি যে বিষয়টি কোথায়।”

মন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থী ছিলেন দশ লাখের মত। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় ৬৯ হাজারের মত। শেষ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন টেকে।

“এর মধ্য থেকে ৫৩০ জন, তারা স্বইচ্ছায় অ্যাপ্লিকেশন করেনি, হয়তো অন্য কোথাও চাকরি পেয়ে চলে গিয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পরে এ বিষয়টিকে অ্যাড্রেস করেছি এবং যথাযথভাবে এই প্রসিডিউর মেইনটেইন করার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছিলাম।”

মন্ত্রী বলেন, তারা এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদনপত্র পেয়েছেন। কিন্তু নিয়োগপত্র ইস্যু করতে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকের ‘ভেরিফিকেশন’ হয়নি এবং অনেকের ঠিকানা পাল্টে গেছে।

কর্মকর্তারা সেগুলো পর্যায়ক্রমে ওয়েবসাইটে দিচ্ছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এটা উন্নতি হচ্ছে। এর মাঝে কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়ায় এটাকে নিয়ে অনেক অপপ্রচার শুরু করেছে।”

এর মধ্যে রাহুল দাস, তামান্না, জাহিদ হাসান নামের তিনজনের নিয়োগপত্র না পাওয়ার খবর টিভিতে দেখার কথা তুলে ধরে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, “এই তিনজনকে আমি দেখেছি এবং এটা আমি এখানে লিস্টে এনেছি। হাওয়েভার আজকে অবধি আমাদের বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন আসছে ঠিকানা আসতেছে সবকিছু আসতেছে এই পর্যায়ে আছে ৮১৭ জন।

“আমি একটি প্রেস রিলিজ ইতোমধ্যে দিয়ে দিয়েছিলাম যে যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ রেখেছি এবং সেগুলো রিভিউ করছি। আপটু ফার্স্ট অক্টোবর পর্যন্ত এটা ডেভেলপ করবে। কারো ঠিকানা আসবে কারো ভেরিফিকেশন আসবে, আপটু ফার্স্ট অক্টোবর পর্যন্ত আসবে। সেখানে ফাইনালি যে সংখ্যাটা হয়, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করব।”

মন্ত্রী বলেন, “আমরা আদৌ জানি না ফাইনাল ২০ জন হবে না ৫০ জন হবে না ১০০ জন হবে।”

প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই সংবাদমাধ্যমে ‘বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রচার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিগত সরকারের সময়ের মত ভেরিফিকেশনের নামে রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা এলাকার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা মাপা হবে কি না–এমন প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বিষয়টি এড়িয়ে যান।

তার ভাষ্য, সরকারি চাকরির প্রথা রয়েছে, ভেরিফিকেশন হতে হবে।

প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি বন্ধ রাখার ঘোষণার পরেও গেল ২৩ সেপ্টেম্বর ৪৬ জনের বদলি হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “যে বদলির ফাইল উঠেছে, বদলি ইস্যু হয়েছে, হঠাৎ করে কি বদলি বন্ধ হতে পারে?

“আর বদলি তো আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের চলমান প্রক্রিয়ায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার আমাদের ইস্যু করতে হবে। যারা সংযুক্ত রয়েছে, আমাদেরকে ফাইনালি সেটেল করতে হবে হু ইজ হোয়াট পজিশন।”

বদলি নিয়ে দুর্নীতির যে প্রশ্ন উঠেছে, সেসব ঠেকাতে সামনের দিনে ‘অনলাইন বদলির’ ব্যবস্থা করার কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন।

ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত

রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: অনুকম্পা নয়, সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখনই

গণতন্ত্রের আম্পায়ার যখন প্রশ্নের মুখে: ভারতে নির্বাচন কমিশন বিতর্ক

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026