দেশের ঘরোয়া ফুটবল মানেই যেন এক অন্তহীন গোলকধাঁধা। শুরু থেকেই সূচি নিয়ে ছিলো টালবাহানা, তা এবার রূপ নিয়েছে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে। মোহামেডান, আবাহনী আর ব্রাদার্স ইউনিয়নের দফায় দফায় চিঠির চাপে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে অন্য ক্লাবগুলোর ক্ষোভ থেকে বাঁচতে দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলাই এবার পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
কাগজে-কলমে পেশাদার লিগ হলেও ক্লাবগুলো আর বাফুফের কর্মকাণ্ডে মনে হয় যেন পাড়ার ফুটবল। মৌসুমের শুরু থেকেই বাফুফের দেয়া সূচি নিয়ে আপত্তি ছিল ক্লাবগুলোর। কয়েকটি ক্লাবের খেলোয়াড় জাতীয় দলে থাকায় সেটিকে অজুহাত বানিয়ে মাঠে নামতে শুরু থেকেই চলছিলো নানা টালবাহানা।
আবাহনী, মোহামেডান এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন এই তিন ক্লাব একের পর এক চিঠি দিয়ে সূচি পরিবর্তনের চাপ দিতে থাকে ফেডারেশনকে। পরিপ্রেক্ষিতে মোহামেডানের লিগের ম্যাচসহ ফেড কাপ এবং ফেডারেশন কাপে আবাহনী ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের প্রথম ম্যাচের সময়সূচি পরিবর্তন করে বাফুফে।
বড় দলগুলোর এমন ফরমায়েশি আবদার মেটাতে গিয়ে বড় বিপদে পড়েছে ফেডারেশন। লিগের বাকি ক্লাবগুলোর ক্ষোভ আর সমালোচনার মুখে পড়ে এবার ডিফেন্সিভ মুডে বাফুফে। এতসব জটিলতার মধ্যে কোনোমতে প্রথম রাউন্ড পার করলেও দ্বিতীয় রাউন্ড শুরুর আগেই খেলা স্থগিত করতে বাধ্য হয় ফেডারেশন।