1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাশিয়ায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার নতুন সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া ভূমি মন্ত্রণালয়ে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের আরও ৪০ কর্মকর্তার চাকরি ন্যস্ত এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত: গ্রস রিজার্ভ ৩৬.৮৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হরমুজ প্রণালীতে নতুন নৌপথ নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন ও পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, একাদশে ভর্তি ফি ও খরচ অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত, পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত

পিরোজপুরের নাজিরপুরে এস এম দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ও বিগত তদন্তের তথ্য প্রকাশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
সারাদেশ ডেস্ক
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার এস এম দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং অফিস সহায়ক পদে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অর্থের বিনিময়ে পূর্বনির্ধারিত প্রার্থী নিয়োগের পাঁয়তারা, আবেদন গ্রহণে গোপনীয়তা এবং যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ করে স্থানীয়রা এবং চাকরিপ্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সুপারের বিরুদ্ধে অতীতে জালিয়াতি ও অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য সামনে আসায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের প্রার্থী মো. রাসেল মিনা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি ছুটি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় আবেদনপত্র গ্রহণ করার কারণে অনেক যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এই নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষের জেরে সম্প্রতি মাদ্রাসার সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করেছেন স্থানীয় জনতা।
এদিকে, বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার বাইরেও মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন জালিয়াতি ও অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। মো. জাহিদুল ইসলাম মিনা নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান একটি তদন্ত পরিচালনা করেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে সুপার আব্দুল মান্নানের নিজের নিয়োগ ও এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি, ২০০৫ সালের একটি ভুয়া রেজুলেশন তৈরি এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে সহকারী মৌলভী মো. ইলিয়াস হোসেনকে অবৈধভাবে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত করার অভিযোগের সত্যতাও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছিল। সে সময় ওই শিক্ষকের এমপিও বাতিল এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল এবং ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে সুপার আব্দুল মান্নানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
তদন্ত নথিতে তৎকালীন অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মিললেও পরবর্তী সময়ে সেগুলোর আইনগত পরিণতি কী হয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের কমন রুম দীর্ঘকাল ধরে তালাবদ্ধ রেখে সেখানে আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি সামগ্রী রেখে সুপার নিজেই ব্যক্তিগত আবাসন ও রান্নার কাজে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বর্তমান নিয়োগ বাজি ও পূর্বের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো সদুত্তর না দিয়ে বলেন যে তার বিরুদ্ধে অতীতেও অনেক অভিযোগ হয়েছে এবং এতে তার কোনো ক্ষতি হয়নি।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী আযিযী জানান, তারা একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পুরোনো দুর্নীতির নথি এবং বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়ম—উভয় বিষয়কেই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা জরুরি।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026