বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো একদিনের সফরে আগামীকাল রবিবার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এছাড়া সফরকালে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত করা সফরসূচি অনুযায়ী, রবিবার সকালে মহেশখালীতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রমে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি ত্রাণ বিতরণ এবং ১০০ গৃহহারা পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেবেন।
বাঁশখালী থেকে প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়িতে আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফির কবর জিয়ারত করবেন। পরে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের সহায়তা হিসেবে এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে আর্থিক অনুদান প্রদান করবেন।
সফরসূচির শেষভাগে রবিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সরাসরি মতবিনিময়ের কথা রয়েছে। সভা শেষে রাতেই তাঁর ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারপ্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বৃহত্তর চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।