1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকা ও সান্তিয়াগোতে আবাসিক মিশন খোলার সম্ভাব্যতা যাচাই বাংলাদেশ ও চিলির বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার বিষয়ে আশ্বস্ত করলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সিলেট নগরীর যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন মেগা প্রকল্প গ্রহণের ঘোষণা বাণিজ্য ও ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ না থাকলে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও ডেটাভিত্তিক গবেষণাই প্রকৃত সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী এক কোটি বা তার বেশি জমা থাকা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়াল নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় বৈঠকে: মির্জা ফখরুল

কক্সবাজারের ইনানীতে বাসে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৪,৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় যাত্রীবাহী এক বাসে অভিযান চালিয়ে চার হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। উদ্ধার করা এ মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের একটি বিশেষ চৌকস দল গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ইনানী এলাকা দিয়ে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকা টেকনাফ থেকে গণপরিবহনে করে ইয়াবার একটি বড় চালান কক্সবাজার শহরের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ইনানী কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার ও আভিযানিক দল ওই এলাকায় নজরদারি জোরদার করে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ইনানী মেরিন ড্রাইভ সড়কে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়। এ সময় টেকনাফ থেকে ছেড়ে আসা সন্দেহভাজন একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে তল্লাশি শুরু করেন কোস্ট গার্ড সদস্যরা। বাসটির যাত্রীদের মধ্যে অবস্থানরত এক ব্যক্তির গতিবিধি ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা ব্যাগ ও শরীর তল্লাশি করে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা চার হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়।

ঘটনার বিস্তারিত নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত শনিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে। জব্দকৃত আলামতসহ তাকে কক্সবাজারের উখিয়া থানায় হস্তান্তরের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, মাদকের অবৈধ পাচার ও বিস্তার রোধে সীমান্ত ও উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন সাঁড়াশি অভিযান ও বিশেষ তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত এলাকা টেকনাফ ও পার্শ্ববর্তী উপকূল অঞ্চল দীর্ঘ দিন ধরেই অবৈধ ইয়াবা পাচারের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নাফ নদী এবং বঙ্গোপসাগরের সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসা ইয়াবার চালানগুলো বিভিন্ন সময়ে দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায় অপরাধী চক্রগুলো। সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান মহাসড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও চেকপোস্ট বৃদ্ধির ফলে পাচারকারীরা প্রায়ই তাদের যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করছে। এর অংশ হিসেবে দৃষ্টিনন্দন ও বিস্তৃত ইনানী মেরিন ড্রাইভ সড়ককে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে মাদক কারবারিরা। গণপরিবহন, অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহনে সাধারণ যাত্রীদের আড়ালে মাদক বহনের এই কৌশল নস্যাৎ করতে নিয়মিত অভিযানের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ধারাবাহিক নজরদারি ও অভিযান সত্ত্বেও মাদক চক্রগুলোর নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ দেশের সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সীমান্ত পথে মাদকের প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হলে শুধু স্থলপথেই নয়, বরং সমুদ্রপথ ও সংযোগকারী সড়কগুলোতেও সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। কোস্ট গার্ডের এই সাফল্য উপকূলীয় রুটগুলোতে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং পাচারকারীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026