1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনে বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ গ্রেফতার ৪৪০ চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা: খলনায়ক ডনের সাত দিনের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য বিএনপি’র নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব জোরদারে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রিকেটের ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ব্যবহার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফুটবল বিশ্বকাপে রেফারিংয়ের সিদ্ধান্ত আরও নিখুঁত করতে ক্রিকেটের বহুল ব্যবহৃত ‘স্নিকোমিটার’ বা ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির আদলে তৈরি সেন্সর প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ দেখা গেছে। মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে সুইডেন ও তিউনিশিয়ার মধ্যকার লড়াইয়ে এই প্রযুক্তির সাহায্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অফসাইডের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। উন্নত প্রযুক্তির এমন ব্যবহারের ম্যাচে তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সুইডেন।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে সুইডেনের বদলি খেলোয়াড় মাটিয়াস সভানবার্গ মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তিউনিশিয়ার জালে বল পাঠান। তবে সহকারী রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে অফসাইডের পতাকা তুললে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পরীক্ষার সময় আলেকসান্দার ইসাকের পায়ে বলের সূক্ষ্ম স্পর্শ লেগেছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে বল ট্র্যাকিং ও সাউন্ড সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা মূলত ক্রিকেটের ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির সমরূপ। এই প্রযুক্তির সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে দেখা যায়, বল স্পর্শের সময় তিউনিশিয়ার রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের অবস্থানের কারণে সভানবার্গ অফসাইডে ছিলেন না। ফলে রেফারি পূর্বের সিদ্ধান্ত বাতিল করে গোলটি বৈধ ঘোষণা করেন।

ফুটবল ম্যাচে বলের গতিপথ ও মানবদেহের স্পর্শ নির্ণয়ে ক্রিকেটের মতো শব্দ ও আল্ট্রা-সাউন্ড সেন্সর প্রযুক্তির এমন ব্যবহার বিশ্ব ফুটবলে বেশ বিরল। ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্ত এবং প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল বিশ্লেষক ও ক্রীড়ামোদীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি আগামী দিনে ফুটবলে অফসাইড ও হ্যান্ডবলের মতো জটিল সিদ্ধান্তগুলো আরও নিখুঁত ও বিতর্কহীন করতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বিতর্কিত গোলের সিদ্ধান্তটি আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও পুরো ম্যাচে একক আধিপত্য বজায় রেখেছিল সুইডেন। খেলার প্রথমার্ধ থেকেই তিউনিশিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। সুইডেনের পক্ষে দুর্দান্ত খেলেন ইয়াসিন আয়ারি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ (৯৬ মিনিট) মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ৫-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এছাড়া দলের হয়ে অন্য গোলগুলো করেন তারকা ফরোয়ার্ড আলেকসান্দার ইসাক ও ভিক্টর গেয়োকেরেস।

অন্যদিকে, শক্তিশালী সুইডেনের বিপক্ষে তিউনিশিয়ার রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পুরো ম্যাচে তারা খুব বেশি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। তবে আক্রমণভাগের ফুটবলার ওমর রেকিকের একক প্রচেষ্টায় তিউনিশিয়া একটি গোল পরিশোধ করতে সক্ষম হয়, যা তাদের পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমায়।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সমীকরণ মেলাতে এই জয়টি সুইডেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানের চেয়েও ফুটবল বিশ্ব এখন বুঁদ হয়ে আছে ম্যাচটিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সফল প্রয়োগের ওপর, যা আধুনিক ফুটবলের রেফারিং ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026