1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কার্যক্রম সীমিত করছে এয়ার ইন্ডিয়া: ঢাকা-মুম্বাইসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট স্থগিত ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর ৫৫ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন, মৃত্যু ১৪ জনের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ৬ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বার্তার নিরাপত্তা বাড়াতে আরসিএস প্রযুক্তিতে যুক্ত হলো এনক্রিপশন ১২ সিটি করপোরেশনে এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত ওমানে চার বাংলাদেশি সহোদরের রহস্যজনক মৃত্যু, শোকের ছায়া রাঙ্গুনিয়ায় বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষা ১২ জুন অভিনেত্রী মৌনী রায়ের দাম্পত্য বিচ্ছেদের গুঞ্জন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি অনফলো

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতায় বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতির দুই প্রধান পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এক ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসেন। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যকার এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বৈঠকের শুরুতে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন। এরপর শুরু হওয়া আনুষ্ঠানিক আলোচনায় দুই দেশের অর্থনীতি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করার কথা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বা সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে দেশ দুটি কোন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না, সেদিকেই নজর রাখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের স্বাগত বক্তব্যের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্য প্রদান করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তব্যে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ তার জন্য একটি বিশেষ সম্মানের বিষয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং যেকোনো জটিল পরিস্থিতিতে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ট্রাম্পের মতে, অতীতে যখনই কোনো সংকট দেখা দিয়েছে, তখন টেলিফোন সংলাপের মাধ্যমে তারা দ্রুততার সাথে তার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সফরকে বিশেষভাবে গুরুত্ব প্রদান করতে তার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে এসেছেন। তিনি শি জিনপিংকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, শুধুমাত্র বিশ্বমানের ব্যবসায়িক নেতৃত্বই এই সফরে অংশ নিয়েছেন, যা চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্মান ও গুরুত্বের বহিঃপ্রকাশ। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আলোচনা চলাকালীন ট্রাম্প দুই দেশের বর্তমান সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বর্তমানে এক অনন্য উচ্চতায় রয়েছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। বৈঠকটিকে অনেকে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হিসেবে অভিহিত করছেন, যার ফলাফল বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বাণিজ্য শুল্ক এবং প্রযুক্তিগত আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিনের যে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছিল, এই বৈঠকের মাধ্যমে তার একটি সম্মানজনক সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। দুই নেতার এই সরাসরি সংলাপ কেবল দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার মতো বহুপাক্ষিক ইস্যুগুলোতেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিকেল পর্যন্ত চলা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর দুই দেশের পক্ষ থেকে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসার কথা রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে উভয় পক্ষ কী কী সমঝোতায় পৌঁছেছে, তার বিস্তারিত রূপরেখা পাওয়া যাবে। বেইজিংয়ে আয়োজিত এই শীর্ষ বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026