বাংলাদেশ ডেস্ক
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে অবস্থিত ‘গুয়াংজু ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার’-এর বিশেষ আমন্ত্রণে ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম ২০২৬’-এ যোগ দেবেন তিনি। সফরসূচি অনুযায়ী, রোববার (১০ মে) দিবাগত রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষা, নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক ফোরামে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে তিনি বিশ্বনেতা, মানবাধিকারকর্মী এবং উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের সাথে নাগরিক অধিকার বিষয়ক সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ ও সমাধানের পথ নিয়ে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নাগরিক অধিকারের বর্তমান অবস্থান এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার বিষয়েও এই সম্মেলনে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সফরকালীন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদ দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসী কমিউনিটির সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। এই সভায় প্রবাসীদের বিদ্যমান সমস্যা, কর্মসংস্থানের সংকট ও সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ও ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের দক্ষিণ কোরিয়া চ্যাপ্টার আয়োজিত একাধিক সাংগঠনিক সভা ও প্রতিনিধি বৈঠকে তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়ন ও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবাধিকারের বৈশ্বিক মানদণ্ড সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে। সফর শেষে আগামী ১৯ মে রাতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তাঁর এই সফর দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাগরিক অধিকার আদায়ে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকগণ।