1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আসিফ মাহমুদ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ, উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার উপনির্বাচনে ডানপন্থী ওয়ান নেশনের জয়: সংকটে লিবারেল পার্টি তুরস্ক সফরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: যুব উন্নয়ন ও ক্রীড়া কূটনীতি জোরদারে গুরুত্ব সৌদি আরামকোর মুনাফা বেড়েছে ২৫ শতাংশ, প্রথম প্রান্তিকে আয় ৩২ বিলিয়ন ডলার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ ও অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বারোপ ঈদ ও বর্ষা মৌসুমে নৌপথের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ ও অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বারোপ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতির সুষম বিকাশে অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত জনশক্তিকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, কেবল রাজনৈতিক গণতন্ত্রই যথেষ্ট নয়, বরং অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল স্রোতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার (১০ মে, ২০২৬) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (রেইজ) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এখনো প্রথাগত বা আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির বাইরে অবস্থান করছে। এই অনানুষ্ঠানিক খাতকে অবহেলা করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ মানে হলো সুযোগের সমতা। আমরা চাই প্রতিটি নাগরিক যেন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অংশীদার হওয়ার সুযোগ পান। এটি কোনো করুণা নয়, বরং নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার।”

প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বৈশ্বিক ও জাতীয় মানদণ্ড বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হলে সরকার কোনো প্রকল্প বা কর্মসূচি গ্রহণ করবে না। এ সময় তিনি পিকেএসএফ-এর বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কাজের পরিধি আরও বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।

দেশের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আসন্ন বাজেটের রূপরেখা সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী অর্থ বছরের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই দুই খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ যেন এসব সেবা সহজে এবং স্বল্প ব্যয়ে গ্রহণ করতে পারে, সেজন্য বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের একটি বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল। কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে রেইজ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এই খাতের শ্রমিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, রেইজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের সফলতার ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাদের ব্যবসার আধুনিকায়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগ দেশের জিডিপিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের অবদানকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026