1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জলবায়ু অভিবাসনকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর জলবায়ু অভিবাসনকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর অসহায় ও দরিদ্রদের জন্য সুলভ বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর তদন্ত সক্ষমতা বাড়াতে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত জনবল ও নিজস্ব কার্যালয়ের প্রস্তাব আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ও ভুটানের গুরুত্বারোপ জাতিসংঘে তথ্যের অখণ্ডতা ও ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাসে বাংলাদেশের জোরালো আহ্বান সাংবাদিক শাকিল ও ফারজানা রুপার জামিন আদেশ পিছিয়ে ১১ মে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু: পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের ৫ মামলায় জামিন বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলককে বহনকারী পুলিশের প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনার কবলে, আহত বেশ কয়েকজন

অসহায় ও দরিদ্রদের জন্য সুলভ বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

অসহায় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে একটি মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীতে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অর্থের অভাব বা সামাজিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন আইনি সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রবেশাধিকার। বিগত সময়ের শাসনতান্ত্রিক অসংগতি এবং ফ্যাসিবাদী কাঠামোর অবসান ঘটিয়ে দেশ এখন প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই নতুন যাত্রায় ন্যায়বিচার কেবল আইনের বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রতিটি মানুষের জীবনের বাস্তবতায় প্রতিফলিত হবে। তিনি গুরুত্বারোপ করেন যে, ন্যায়পরায়ণতা তখনই অর্থবহ হয় যখন আইন কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ না হয়ে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার নৈতিক অঙ্গীকারে পরিণত হয়।

তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু আমরা জানি, দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় অর্থের প্রভাব ও দীর্ঘসূত্রতা একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করেছে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়তে চাই যেখানে দরিদ্রতম মানুষটিও রাষ্ট্রীয় খরচে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা পাবেন।” যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তাদের জন্য সরকার ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং সরকারি আইনি সহায়তা কেন্দ্রের (লিগ্যাল এইড) পরিধি আরও বিস্তৃত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বিচার বিলম্বিত হওয়া মানেই বিচার অস্বীকার করা’ (Justice delayed is justice denied)—এই আপ্তবাক্যটি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট নিরসন এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই যাতে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করা যায়, সেজন্য লিগ্যাল এইড অফিসগুলোকে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন আদালতের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে আইনি সমাধান পাবে।

প্রশাসনিক ও বিচারিক সংস্কারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আইনজীবীদেরও মানবিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, বরং আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি মাধ্যম হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী, শিশু এবং প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষ আইনি লড়াইয়ে সাহস পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ বিচারক, আইনজীবী এবং আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবা করা। সরকারি লিগ্যাল এইড ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে আইনি পরামর্শ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেন তিনি। পরিশেষে তিনি বলেন, একটি বৈষম্যহীন এবং মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইনের সমপ্রয়োগ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে বর্তমান সরকারের সাফল্যের চাবিকাঠি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026