1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাংলাদেশের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল বিভাজন কমাতে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান। বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশন’-এর ৫৯তম অধিবেশনে বক্তব্যকালে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্বে এখনও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে রয়েছে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগে বৈষম্য সৃষ্টি করছে। এই বৈষম্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি উদীয়মান প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শক্তিশালী তথ্য-গোপনীয়তা সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে আস্থা বৃদ্ধি সম্ভব হবে বলে তিনি মত দেন।

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত জানান, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের মাধ্যমে দেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধিও এই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং রিয়েল-টাইম রোগ নজরদারির মতো কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে সেবার পরিধি ও কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান। এসব উদ্যোগ দেশের দূরবর্তী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সহায়ক হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত তরুণ জনগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026