1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু ১ জুলাই

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক
আগামী ১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ (পিইডিপি-৫) শুরু হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সুবিশাল সমুদ্রসীমার সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সুনীল অর্থনীতির (ব্লু-ইকোনমি) বিকাশে সরকার ‘সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা’ বা মেরিটাইম স্পেশাল প্ল্যানিং (এমএসপি) কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

এদিন সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের কার্যসূচি অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে কি না এবং হলে তার সময়সীমা কী, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের শিক্ষাদানের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৯ জন। এর মধ্যে চলমান ‘চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ (পিইডিপি-৪)-এর আওতায় ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষককে ইংরেজি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে নিশ্চিত করেন যে, আগামী ১ জুলাই থেকে যে পাঁচ বছর মেয়াদি পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে, তার মাধ্যমে অবশিষ্ট শিক্ষকদেরও ইংরেজি বিষয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষকদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে তা শিক্ষার্থীদের ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অধিবেশনে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার জন্য একটি পৃথক ‘উপকূল বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি তার প্রশ্নে উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক গুরুত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং ওই অঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।

এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই ব্যবহারের ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং একটি ‘জাতীয় সুনীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তিনি সংসদকে স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন সরকার ‘উপকূলীয় অঞ্চল নীতি ২০০৫’ প্রণয়ন করেছিল, যা দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উপকূল ও সমুদ্র সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে ‘মেরিটাইম স্পেশাল প্ল্যানিং’ বা সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ, মৎস্য খাতের উন্নয়ন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে একটি সমন্বিত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা।

বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জনের পর থেকে এই সমুদ্রসম্পদকে জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত করার বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়ে আসছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সমুদ্রসীমা থেকে সম্ভাব্য কী ধরনের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুবিধা অর্জন করা সম্ভব, তা খতিয়ে দেখছে সরকার। সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এই খাতটিকে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই খাতের সার্বিক গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই একটি সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026