1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ, ২০২৯ সালে পরীক্ষামূলক চালুর লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাপ, ইউরো–পাউন্ড শক্তিশালী অবস্থানে হজ ফ্লাইট শুরু মধ্যরাতে, প্রথম দিনে ১৪টি ফ্লাইটের সূচি গুলশানে অবৈধ সিসা বারে অভিযান, বিপুল পরিমাণ সিসা ও হুক্কা জব্দ, ম্যানেজার আটক হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে: বিমানমন্ত্রী হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে: বিমানমন্ত্রী রহনপুর–ঢাকা রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি, মন্ত্রীর সঙ্গে এমপিদের সাক্ষাৎ প্রথম হজ ফ্লাইট আজ রাতে, প্রস্তুতি পর্যালোচনায় হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর গভীর শোক চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব আর্মি হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলের নিয়োগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী কর্মকর্তা চিফ অব আর্মি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সামরিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে এ পদে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। আগামী জুলাই মাস থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

অস্ট্রেলিয়ান সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমানে চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্ব পালনরত সুসান কয়েল সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বে আসছেন। এই নিয়োগ দেশটির সামরিক কাঠামোর উচ্চপর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষ নেতৃত্বই প্রধান ভূমিকা পালন করে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, জুলাই থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। তার এই মন্তব্য দেশটির সামরিক বাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের অগ্রগতিকে প্রতিফলিত করে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস কয়েলের নিয়োগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এটিকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, সুসান কয়েল ১৯৮৭ সালে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঊর্ধ্বতন কমান্ড ও প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ধাপে ধাপে নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে বর্তমান উচ্চপদে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তিনি সামরিক পরিকল্পনা, যৌথ সক্ষমতা উন্নয়ন এবং কৌশলগত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা যায়।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, কয়েলের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত নারীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যারা সেনাবাহিনীতে যোগদানের কথা বিবেচনা করছেন, তাদের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কয়েল হবেন অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীর যেকোনো সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম নারী।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হলেও তা এখনো পুরোপুরি সমতা অর্জন করেনি। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাহিনীতে নারীদের হার প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব পর্যায়ে এ হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের অংশগ্রহণ ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে নারী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বের সুযোগ বৃদ্ধি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সমতা নিশ্চিত করা এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এই নিয়োগ এমন এক সময়ে এলো, যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী অভ্যন্তরীণভাবে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও বৈষম্য সংক্রান্ত অভিযোগ, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলোচনায় এসেছে। এসব সমস্যার সমাধান এবং বাহিনীর সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনী আগামী দিনে আধুনিকীকরণ, কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন দিকনির্দেশনা পেতে পারে বলে সামরিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026