1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতৃত্বকে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালানোর আহ্বান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে দেশের আসন্ন জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। রাজধানীর কড়াইল এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে আয়োজিত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবিবার সকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরুরি টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে অভিভাবকদের কাছে টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তার মতে, ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতা বাড়াতে পারলে টিকা গ্রহণের হার বৃদ্ধি পাবে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

তিনি আরও জানান, ৫৯ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের অবশ্যই হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনতে হবে। শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে টিকা গ্রহণ যথেষ্ট নয়; বরং একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক হারে টিকা নিশ্চিত করতে পারলেই রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তিনি বলেন, জনসংখ্যার অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে, যাতে স্বল্পসংখ্যক শিশু টিকা থেকে বাদ পড়লেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি না থাকে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সময়মতো শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হাম-রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তিনি জানান, এ বিষয়ে নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যাতে টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি ঢাকার উত্তর সিটি এলাকায় হাম চিকিৎসার জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনার জন্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। তার মতে, এ ধরনের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থাকলে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দিয়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমানো যায়।

এছাড়া রবিবার থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায়ও টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়ে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে বাস্তবায়িত হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম-রুবেলা একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিয়মিত ও ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা সম্ভব। এ কারণে সরকার দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় শিশুদের বিভিন্ন টিকা প্রদান করে আসছে।

বর্তমান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের শিশুদের একটি বড় অংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026