1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

বৈসাবি, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে টানা তিন দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

বৈসাবি উৎসব, চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত বাৎসরিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এ ছুটি কার্যকর হবে।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে একদিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। পরদিন ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে ছুটি থাকবে। এছাড়া ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ধারাবাহিকভাবে তিন দিন পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ছুটি পূর্বনির্ধারিত এবং প্রতি বছরের ছুটির ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়, যাতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা উৎসবগুলো যথাযথভাবে উদযাপনের সুযোগ পান।

বাংলা নববর্ষ বাঙালির অন্যতম প্রধান জাতীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে বৈসাবি উৎসব এবং গ্রামীণ এলাকায় চৈত্র সংক্রান্তির বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী আয়োজন পালিত হয়, যা দেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, এ ধরনের ছুটি শিক্ষার্থীদের পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে এবং মানসিকভাবে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সুযোগ দেয়। তবে দীর্ঘ ছুটির পর পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা জরুরি।

এই ছুটি শেষে নির্ধারিত তারিখে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026