1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

বৈসাবি, চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষে টানা তিন দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

বৈসাবি উৎসব, চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত বাৎসরিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এ ছুটি কার্যকর হবে।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে একদিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। পরদিন ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে ছুটি থাকবে। এছাড়া ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ধারাবাহিকভাবে তিন দিন পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ছুটি পূর্বনির্ধারিত এবং প্রতি বছরের ছুটির ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়, যাতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা উৎসবগুলো যথাযথভাবে উদযাপনের সুযোগ পান।

বাংলা নববর্ষ বাঙালির অন্যতম প্রধান জাতীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে বৈসাবি উৎসব এবং গ্রামীণ এলাকায় চৈত্র সংক্রান্তির বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী আয়োজন পালিত হয়, যা দেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, এ ধরনের ছুটি শিক্ষার্থীদের পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে এবং মানসিকভাবে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সুযোগ দেয়। তবে দীর্ঘ ছুটির পর পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা জরুরি।

এই ছুটি শেষে নির্ধারিত তারিখে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026