1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বিসিবি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব নেই, আহ্বায়ক কমিটি গঠন সরকারির উদ্যোগ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ ২০২৬ পাস দেশে ১০ হাজার ৫৬৮টি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু হবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন সূচনায়: খলিলুর রহমানের নয়াদিল্লি সফর পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন চালুর নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হাম নিয়ন্ত্রণে ২০ এপ্রিল থেকে জাতীয় টিকাদান কার্যক্রম শুরু মিরপুরে এসি মেরামতের সময় অগ্নিকাণ্ডে চারজন দগ্ধ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসী হামলার পর অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা উত্তর কোরিয়া ছুঁড়ল দুই দফা ব্যালিস্টিক মিসাইল, পূর্ব সাগরে পড়েছে নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনে রাজপথের ত্যাগী নেত্রীদের অগ্রাধিকার

প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই ২৮৪৭ গ্রামে: শিক্ষামন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশে মোট ২ হাজার ৮৪৭টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। তিনি এই তথ্য জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বুধবার (৮ এপ্রিল) লিখিত প্রশ্নোত্তরে জানান।

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। বিদ্যালয়বিহীন গ্রামগুলোর সংখ্যা বিভাগের ভিত্তিতে যথাক্রমে: ঢাকা বিভাগে ৭১৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, রংপুর বিভাগে ৩৭টি, খুলনা বিভাগে ৩৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ২৬০টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি।’

মন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি অনুসারে প্রস্তাবনা, প্রয়োজনীয়তা ও অন্যান্য শর্তাদি বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাব শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের হার কমে যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাগত উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা স্থানীয় জনসংখ্যার সংখ্যা, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, শিক্ষক ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এছাড়া, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা এলাকায় বিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তা প্রদানের বিষয়ও বিবেচনা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন বিদ্যালয় স্থাপন, বিদ্যমান বিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা। এ উদ্যোগগুলো মূলত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় স্বাভাবিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সমতা রক্ষা করার লক্ষ্যে নেয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামগুলিতে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে দেশের সার্বিক শিক্ষাগত সূচকে বৈষম্য বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর মনিটরিং ও সমন্বয় বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026