1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী মাদকের সাথে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর উপকূলীয় সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতিতে ব্লু কার্বন অর্থায়ন জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা: চুয়েটের ওরিয়েন্টেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

মার্কিন নৌসেনা ও মেরিন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ ৭) জাহাজে থাকা প্রায় ৩,৫০০ জন নাবিক ও মেরিন ২৭ মার্চ তাদের দায়িত্বাধীন অঞ্চলে অবস্থান গ্রহণ করেছে। পেন্টাগন এ মুহূর্তে পরবর্তী পদক্ষেপ পরিকল্পনা করছে।

সেন্টকমের একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণা অনুযায়ী, এই ইউনিটগুলো নৌভিত্তিক হামলা এবং স্থল অভিযানে সক্ষম। এ ধরনের বাহিনী সাধারণত দ্রুত মোতায়েনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং তাদের কার্যক্রমের মধ্যে কৌশলগত স্থান সুরক্ষা, নাগরিক সরানো এবং উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতে সম্ভাব্য হামলা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই মোতায়েনের অংশ হিসেবে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় পাঁচ হাজার মেরিন সৈন্য এবং অতিরিক্ত প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যে অঞ্চলে প্রেরিত হয়েছে। পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা মোতায়েনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা বিবেচনা করছে, যা প্রেসিডেন্টের কাছে কূটনীতির বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। নতুন মোতায়েন করা বাহিনীতে পদাতিক সৈন্য এবং সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই মোতায়েন ইরান সংক্রান্ত চলমান উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং মার্কিন সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে যে সেনারা ইরান এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের কাছাকাছি থাকবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নৌভিত্তিক এবং স্থল অভিযানের জন্য প্রস্তুত এমন ইউনিট মোতায়েন করা সাধারণত তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং কৌশলগত নমনীয়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে করা হয়। এমন মোতায়েন সম্ভাব্য সংকট পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দৃঢ় করতে সাহায্য করবে এবং অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্কিন সেনাদের এই মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী নয়, বরং এটি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য পরিকল্পিত। পেন্টাগন অঞ্চলে বাহিনী মোতায়েনের পর কৌশলগত অবস্থান ও প্রতিক্রিয়ার সময়সূচি পর্যবেক্ষণ করছে। এই ধরনের মোতায়েন, বিশেষ করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তু সংলগ্ন, সামরিক কৌশল ও কূটনীতির সমন্বয়কে প্রভাবিত করতে পারে।

মার্কিন সেনাদের এ ধরনের মোতায়েন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, বিশেষ করে তেল আমদানি, নৌপথ নিরাপত্তা এবং পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে। মার্কিন প্রশাসন এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা বলছেন, এ ধরনের বাহিনী মোতায়েন স্বল্পমেয়াদি কিন্তু অত্যন্ত কৌশলগত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026