1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনকে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে তদন্তের মুখে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশে উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের বাজেটে বিভিন্ন খাতে ভ্যাট অব্যাহতির ব্যবস্থা থাকলেও কিছু প্রতিষ্ঠান শর্ত পূরণ না করেও সুবিধা গ্রহণ করছে। এমনই প্রেক্ষাপটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোনসেট উৎপাদন উৎসাহিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে, কিন্তু সম্প্রতি একটি তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণ মিলেছে যে, শর্ত পূরণ না করেও সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড (জিটিএল) ২০০৯ সালে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি জিটিএল, জিটিই, বেনকো নামে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদন করছে এবং লাভা ও ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট বাজারজাত করছে। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা ভোগ করছে।

২০২৩ সালে এনবিআর গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনকে ৫০ শতাংশ মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ও চার্জার নিজস্ব উৎপাদনের শর্তে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়। শর্ত অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ইউনিটে ব্যাটারি ও চার্জার উৎপাদন করতে হবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ আমদানি করা যাবে। তবে তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন না করে আমদানি অব্যাহত রেখেছে।

এনবিআর ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন শর্ত ভঙ্গ করে সুবিধা গ্রহণ করেছে। প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠানটি আংশিকভাবে শর্ত পালন করলেও ২০২৩ সালের পর শর্ত পূরণ না করার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, উৎপাদন ইউনিটে চার্জার ও ব্যাটারি উৎপাদনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের পর মোবাইল ফোনসেট উৎপাদনকারীদের জন্য ভ্যাট হার ৫ শতাংশ নির্ধারিত ছিল, যা পরে পর্যায়ক্রমে ১০ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে। ভ্যাট অব্যাহতির ক্ষেত্রে টেবিল-২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদিত ফোনের চার্জার ও ব্যাটারির অর্ধেক নিজস্ব উৎপাদন করতে হবে। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই শর্ত পূরণে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন ব্যর্থ হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভ্যাট অব্যাহতির প্রজ্ঞাপন জারি করার আগে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও শর্ত পর্যালোচনা যথাযথভাবে করা হয়নি। এ কারণে বর্তমানে এনবিআরের জন্য বিষয়টি বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনারেটকে প্রতিষ্ঠানগুলোর কমপ্লায়েন্স যাচাই করার জন্য চিঠি প্রেরণ প্রক্রিয়া চলছে।

গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহুরুল হক বিপ্লব জানান, তারা মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এনবিআরের ভ্যাট নীতি বিভাগে আবেদন করেছেন। এ আবেদনে দাবি করা হয়েছে, তদন্ত কমিটি ব্যাটারি ও চার্জার উৎপাদনের হিসাব বছরভিত্তিক না করে মাসভিত্তিকভাবে হিসাব করেছে, ফলে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেদন অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অনুমাননির্ভর তথ্যের ভিত্তিতে নেতিবাচক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সূত্র: কালবেলা

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026