রাজনীতি ডেস্ক
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ আর নেই। তিনি ২৮ মার্চ, শনিবার, সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে জানান, সিঙ্গাপুর স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় দিলারা হাফিজ মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বলেন, একজন সহধর্মিণী হিসেবে তিনি পরিবার ও সমাজে যে অবদান রেখেছেন, তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি শোকাহত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন এবং মহান আল্লাহর কাছে মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদাউসে স্থান দানের দোয়া করেছেন।
দিলারা হাফিজ সামাজিক ও পারিবারিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার অবদান ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ছিল। তার আন্তরিক সহানুভূতি ও উদারতা নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের কাছে প্রশংসিত ছিল।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের স্পিকারের পরিবার হিসেবে তার পরিচিতি দেশব্যাপী। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সহধর্মিণী হিসেবে তিনি সংসদীয় সমাজে বিশেষভাবে সম্মানিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সংসদীয় ও রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকপ্রকাশের পাশাপাশি সমাজ ও রাজনৈতিক মহল তার অবদান স্মরণ করে দোয়া করেছেন। বিশেষ করে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং এ ধরনের শোকময় সময়ে তাদের সহমর্মিতা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে এই ধরণের ব্যক্তি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রেখে যান। তার মৃত্যুতে পারিবারিক এবং রাজনৈতিক জীবনের শূন্যস্থান সৃষ্টি হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সন্নিহিতজনদের জন্য এটি একটি কঠিন সময়।
এদিকে, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণ এবং পারিবারিক সামাজিক দায়িত্ব পালন দেশের সামাজিক জীবনেও প্রশংসিত ছিল। রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তার অবদান নিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।
দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে সংসদ, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং পরিচিতজনরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে একটি শূন্যস্থান সৃষ্টি করেছে।
এ প্রেক্ষিতে, তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল তার অবদানের যথাযথ মর্যাদা প্রদানে একমত পোষণ করেছে।