1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও অন্তর্ভুক্তি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

অন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গত বছরের গণবিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী পদক্ষেপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার (২৮ মার্চ) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে পুলিশ তাদের আটক করে, যেখানে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রেপ্তারি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন এখনও হয়নি।

গত সেপ্টেম্বর নেপালে ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান চলাকালে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৭০ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন বিক্ষোভকারী। এই আন্দোলন মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে শুরু হলেও এর পেছনে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অবনতি এবং সরকারের বিরুদ্ধে সঞ্চিত ক্ষোভ ছিল মূল প্রেরণা। কাঠমান্ডু উপত্যকার পুলিশ মুখপাত্র ওম অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আইনি ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে তদন্ত কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে। ওই কমিশন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে ‘ফৌজদারি অবহেলা’র দায়ে অভিযুক্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনার পরামর্শ দেয়। তদন্তে সাবেক পুলিশ প্রধান চন্দ্র কুবের খাপুংকেও গ্রেপ্তারের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ওলি ইতিমধ্যেই কমিশনের প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, এটি তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা।

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বালেন শাহ শপথ গ্রহণের পর একদিনের মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি অভিযান সম্পন্ন হওয়ায় দেশটির রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং, যিনি ওই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন, এই গ্রেপ্তারিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নেই, এটি প্রতিশোধ নয় বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার অংশ।”

বর্তমানে কাঠমান্ডুসহ নেপালের প্রধান শহরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে যাতে ওলির সমর্থকরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। সেপ্টেম্বর মাসের সেই উত্তাল দিনগুলোতে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজরে এসেছে।

তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন সরকার পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে পেশিশক্তি ব্যবহার করে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করেছিল, যার ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারান। নতুন প্রশাসনের পদক্ষেপের মাধ্যমে জনমতের কাছে নিজেদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এখন নেপালের সাধারণ জনগণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা দেখছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় এই ঘটনার কতটুকু সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং এর ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে কেমন প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026