1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান রুমিন ফারহানার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, তার নির্বাচনী এলাকায় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সকল ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াজ মাহফিলের পাশাপাশি কীর্তন ও বাউল গানের মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনও চলবে এবং এগুলো রক্ষায় তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ (রহ.)-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাংলাদেশের সামাজিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি তার দায়িত্বকালীন সময়ে এলাকায় ওয়াজ মাহফিল, কীর্তন ও বাউল গানের মতো আয়োজন চালু রাখার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তার মতে, এসব কার্যক্রম মানুষের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে মাজার ও বাউল গানের আসরকে কেন্দ্র করে সংঘটিত কিছু ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাজার ভাঙচুর এবং বাউল সংগীতের আসরে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও সামনে এসেছে।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ঘটনাগুলোতে তিনি প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঈদুল ফিতরের পর সিলেটে একটি বাউল গানের অনুষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনাও তার নজরে এসেছে।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও বিকাশের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সকলের। তিনি মনে করেন, নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে না পারলে ঐতিহ্যগত ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাউল সংগীত ও মাজারকেন্দ্রিক আধ্যাত্মিক চর্চা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরাও সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই তাদের সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, প্রতিবছর এই স্মরণোৎসব ও ওরস মাহফিলের মাধ্যমে এলাকার মানুষ একত্রিত হন এবং ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে। তবে এ ধরনের আয়োজন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনিক তৎপরতা এবং পারস্পরিক সহনশীলতা বজায় রাখা জরুরি বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026