ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফুটবলের শুরু হওয়া মাত্র ৭৮ দিন বাকি থাকতেই নিজেদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে মাঠে নামছে বড় দলগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল ব্রাজিল ও ফ্রান্স, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।
ব্রাজিল এবং ফ্রান্সের সাম্প্রতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১১ বছর পর পুনরায় ফুটবলের বড় মঞ্চে ফুটে উঠছে। সর্বশেষ সাক্ষাতে ব্রাজিল ফ্রান্সকে হারিয়েছিল। তবে সমর্থকদের মনে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই এখনও গভীরভাবে গেঁথে আছে। সেই ম্যাচে জিনেদিন জিদানের খেলায় ফ্রান্স ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল।
সেলেসাওরা বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচের মধ্যে ছয়টি হেরে তারা পঞ্চম স্থানে থেকে মূল পর্বের টিকিট অর্জন করেছে। এই পরিস্থিতিতে সমর্থকদের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি দায়িত্ব নেওয়ার পর দল নতুন আত্মবিশ্বাস ও শক্তি দেখাচ্ছে। ব্রাজিলের লক্ষ্য ২০০২ সালের পর পুনরায় ‘হেক্সা’ অর্জন করা।
দলে অভিজ্ঞ নেইমারের অনুপস্থিতি লক্ষ্যনীয় হলেও তার অনুপস্থিতিতে মূল দায়িত্ব নিতে হচ্ছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। রাফিনিয়া তার সঙ্গে আছেন। চোটের কারণে ফ্রান্সের বিপক্ষে দলে নেই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিসন বেকার এবং ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালেস।
ফরাসি দলে প্রধান মনোযোগ কেন্দ্রীভূত কিলিয়ান এমবাপ্পের দিকে। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড চোট কাটিয়ে জাতীয় দলের সঙ্গে আবার মাঠে ফিরেছেন। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমের এটি শেষ বিশ্বকাপ, তাই তার পরিকল্পনা দলের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠ মাতানো।
আজকের রাতের প্রস্তুতি ম্যাচ দুই দলের জন্য মূল প্রতিযোগিতার আগে শক্তি যাচাই ও কৌশলগত পরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্রাজিল-ফ্রান্সের এই মুখোমুখি লড়াই আন্তর্জাতিক ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগাম আকর্ষণীয় খেলা হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।