1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

মার্চের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স ২.৮৩ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে প্রায় ২ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) প্রায় ৩৪ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের মার্চের প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের একই সময়ে দেশে এসেছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এবার প্রায় ১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে মোট ৩০২ কোটি ডলার বা প্রায় ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আগের বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রণোদনা কার্যক্রম এই প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। প্রবাসীদের জন্য নগদ প্রণোদনা, সহজ ব্যাংকিং সেবা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধির ফলে বৈধ পথে অর্থ প্রেরণের প্রবণতা বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অর্থবছরের শুরু জুলাই থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫২৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রার উৎস হিসেবে বিবেচিত। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি, গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভোগব্যয় বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসেও রেমিট্যান্সের অবদান উল্লেখযোগ্য।

বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরের শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং প্রবাসী শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা এই প্রবাহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026